AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Malda: হোলির রাতে বচসা, গুলি ফুঁড়ে গিয়েছিল বুক, শেষমেশ মৃত হল কিশোরের

Malda: এলাকার পরিবেশ পরিস্থিতি রয়েছে যথেষ্টই থমথমে। জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত্র কয়েকজন অল্প বয়সী ছেলেদের সামান্য বচসাকে কেন্দ্র করে। আর সেই বচসার জেরে সমীর গুপ্ত নামে এলাকার এক রেশন ডিলারের ১৭ বছরের ছেলে তার বাবার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। সেই গুলিতে আহত হয় বছর দশেকের এক কিশোরের। সমর, তার বাবা কালু, মা নমিতা-সহ অরুণ মন্ডল নামে আরও  এক ব্যক্তি আহত হন।

Malda: হোলির রাতে বচসা, গুলি ফুঁড়ে গিয়েছিল বুক, শেষমেশ মৃত হল কিশোরের
শোতস্তব্ধ পরিবারImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 05, 2026 | 2:27 PM
Share

মালদহ: মালদহের মানিকচকের মথুরাপুরে গুলি চালানোর ঘটনায় মৃত্যু হল গুলিবিদ্ধ নাবালকের। নাম সমর রজক। বুধবার হোলির রাতে সামান্য বচসাকে কেন্দ্র গুলি চলে মালদহের মানিকচকের মথুরাপুর কাহার পাড়ায়। সেই গুলিতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হল ১৪ বছরের ওই কিশোরের। এছাড়াও মৃত কিশোরের বাবা-মা সহ আরও দুজন গ্রামবাসী গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনার পাল্টা হিসেবে উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে রাতেই মৃত্যু হয় গুলি চালনার সঙ্গে যুক্ত কিশোরের বাবার।

এলাকার পরিবেশ পরিস্থিতি রয়েছে যথেষ্টই থমথমে। জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত্র কয়েকজন অল্প বয়সী ছেলেদের সামান্য বচসাকে কেন্দ্র করে। আর সেই বচসার জেরে সমীর গুপ্ত নামে এলাকার এক রেশন ডিলারের ১৭ বছরের ছেলে তার বাবার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। সেই গুলিতে আহত হয় বছর দশেকের এক কিশোরের। সমর, তার বাবা কালু, মা নমিতা-সহ অরুণ মন্ডল নামে আরও  এক ব্যক্তি আহত হন।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা গুলিবিদ্ধ পাঁচজনকে উদ্ধার করে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। এদিকে এই ঘটনার প্রতিবাদে উত্তেজিত জনতা মথুরাপুর কাহার পাড়ার রেশন ডিলার সমীর গুপ্তের বাড়িতে হামলা চালায়। বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চলে। সমীর গুপ্তকে গণপিটুনি দেয় বলে অভিযোগ। যার জেরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই সমীর গুপ্তর মৃত্যু হয়। এছাড়াও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গুলিবিদ্ধ কিশোর সমর রজকের মৃত্যু হয় বলে খবর। ঘটনার পর মানিকচক থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রথমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।