Beldanga Chaos: ‘আমরা আছি…হঠাৎ করে তো লাঠি চালানো যায় না’, কেন এতক্ষণ ‘চুপ’ ছিলেন অবশেষে জানালেন মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার
Murshidabad: কিন্তু এত দেরিতে কেন অ্যাকশন? পুলিশ সুপার বলেন, "অবরোধ হয়েছিল এটা ঠিক। আমরা এসে তুলে দিয়েছি। পরিস্থিতি নর্মাল হয়ে গেছে। আমরা আছি। পুলিশ আগে থেকেই ছিল। হঠাৎ করে তো লাঠি চালানো যায় না। আগে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলতে হয়। যখন দেখলাম এভাবে হবে না, ওদের অযাচিত কিছু চাহিদা ছিল।

বেলডাঙা: দুদিন ধরে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা জ্বলছে। পুলিশ কোথায়? জাতীয় সম্পত্তি নষ্ট করা হচ্ছে, রেল অবরোধ হচ্ছে। কিন্তু পুলিশ কোথায়? মার খাচ্ছেন সাংবাদিকরা, রেলগেট ভাঙা হচ্ছে, কিন্তু পুলিশ কোথায়? বারবার বিরোধীরা অভিযোগ করছিলেন। পুলিশের নিষ্কৃয়তাও নিয়েও উঠছিল প্রশ্ন। অবশেষে ২৪ ঘণ্টা পেরনোর পর হঠাৎ ‘মৌনব্রত’ ভেঙে জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজের নেতৃত্বে ময়দানে নামল বিশাল বাহিনী। করা হল লাঠিচার্জ। যখন সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসা করেন এতক্ষণ কেন চুপ ছিল পুলিশ, তখন পুলিশ সুপারের যুক্তি, ‘আগে থেকেই পুলিশ ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে তো লাঠিপেটা করা যায় না তাই….’
কিন্তু এত দেরিতে কেন অ্যাকশন? পুলিশ সুপার বলেন, “অবরোধ হয়েছিল এটা ঠিক। আমরা এসে তুলে দিয়েছি। পরিস্থিতি নর্মাল হয়ে গেছে। আমরা আছি। পুলিশ আগে থেকেই ছিল। হঠাৎ করে তো লাঠি চালানো যায় না। আগে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলতে হয়। যখন দেখলাম এভাবে হবে না, ওদের অযাচিত কিছু চাহিদা ছিল। এরপর লাঠিপেটা করা হয়। ওরা পাথর ছোড়া শুরু করতেই লাঠিপেটা হয়। সিসিটিভি দেখছি, কয়েকজন বাড়িতে লুকিয়ে আছে। আমরা বেশ কয়েকজনকে আটক করেছি। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।”
বেলা গড়ানোর পরও বন্ধ রয়েছে রেল। বন্ধ দোকানপাঠ। স্টেশনে টহল দিচ্ছে আরপিএফ। যে কটি দোকান খোলা ছিল, দোকানদারদের দাবি, জিনিসপত্র লুঠ করার চেষ্টা করেছে আন্দোলনকারীরা। তবে পুলিশ সুপার আশ্বাস দিলেন যে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক এখন।
