Mysterious Death: রাতে ফোন করে নিজের বাড়িতে ডেকেছিল প্রেমিকা, সকালে ঝোপের মধ্যে থেকে উদ্ধার সৌরভের নিথর দেহ
Nadia: মৃত যুবকের নাম সৌরভ হালদার। পরিবারের দাবি, গতকাল রাতে সৌরভকে ফোন করেছিলেন তাঁর প্রেমিকা। নিজের বাড়িতে ডাকেন। প্রেমিকার ডাক পেয়ে ছুটে যান সৌরভ। কিন্তু তারপর দীর্ঘসময় কেটে গেলেও আর তিনি বাড়ি ফেরেননি। তাতেই চিন্তা বাড়ে পরিবারের সদস্যদের।

কৃষ্ণগঞ্জ: প্রেমিকার দেখা করতে গিয়ে আর বাড়ি ফেরা হল না প্রেমিকের। নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ থানার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী গেদে হালদার পাড়া এলাকায় যুবকের মৃত্যু ঘিরে ক্রমেই ঘনাচ্ছে রহস্য। গোটা ঘটনায় প্রেমিকার ভূমিকা নিয়েও বাড়ছে চাপানউতোর। প্রেমিকার পরিবারের বিরুদ্ধে ওই যুবককে শ্বাসরোধ করে বা পিটিয়ে খুনের অভিযোগ তুলেছে মৃত সৌরভের পরিবার।
মৃত যুবকের নাম সৌরভ হালদার। পরিবারের দাবি, গতকাল রাতে সৌরভকে ফোন করেছিলেন তাঁর প্রেমিকা। নিজের বাড়িতে ডাকেন। প্রেমিকার ডাক পেয়ে ছুটে যান সৌরভ। কিন্তু তারপর দীর্ঘসময় কেটে গেলেও আর তিনি বাড়ি ফেরেননি। তাতেই চিন্তা বাড়ে পরিবারের সদস্যদের। তারপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সৌরভের আর খোঁজ মেলেনি। এরইমধ্যে এদিন ভোরে প্রেমিকার বাড়ির পাশেই একটি ঝোপের মধ্যে ওই যুবকের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর চাউর হতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
সৌরভের পরিবারের সদস্যদের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। মৃত যুবকের দাদা প্রকাশ হালদার, বাবা শ্যামল হালদার, বোন সঙ্গীতা হালদারদের অভিযোগ, ফোনে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর সৌরভকে প্রেমিকার পরিবারের লোকজন মিলে খুন করেছে। প্রমাণ লোপাটের জন্যই দেহটি পাশের জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে উত্তেজনার মধ্যে খবর চলে যায় পুলিশের কাছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ। দেহটি উদ্ধার করে কৃষ্ণগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ইতিমধ্যেই পুলিশ দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে মনে করছে পুলিশ। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।
