Migrant Worker: মুম্বই থেকে ফেরার পথে রেললাইনের ধার থেকে উদ্ধার পরিযায়ী শ্রমিকের ক্ষতবিক্ষত দেহ, দানা বাঁধছে রহস্য
Migrant Worker Death: পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে মুম্বইয়ে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করতেন আলফাজ। সেখানে এক ঠিকাদারের অধীনে মুম্বই মেট্রোর কাজে নিযুক্ত ছিলেন তিনি। থাকতেন মুম্বইয়ের সোমবর্গ এলাকায়। এরইমধ্যে বাড়ি ফিরবেন বলে পরিবারের সদস্যদের জানান। সোমবার রাতে কাজ শেষ করে ট্রেনেও চড়েছিলেন। এরইমধ্যে তাঁর আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।

স্বরূপনগর: ঝাড়খণ্ডে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে ব্যাপক জোলঘোলা হয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। তপ্ত হয়ে উঠেছিল বেলডাঙা। রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল গোটা এলাকা। এবার ভিনরাজ্যে কাজে গিয়ে ফের বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু। মুম্বইয়ের রেললাইনের ধার থেকে উদ্ধার হল উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগর থানার বালতি মাঝের পাড়ার বাসিন্দা আলফাজ মণ্ডলের (২৪) রক্ষাক্ত ক্ষতবিক্ষত দেহ। বুধবার গ্রামে পৌঁছায় তাঁর দেহ। কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। মৃত্যুকে কেন্দ্র দানা বেঁধেছে রহস্য।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে মুম্বইয়ে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করতেন আলফাজ। সেখানে এক ঠিকাদারের অধীনে মুম্বই মেট্রোর কাজে নিযুক্ত ছিলেন তিনি। থাকতেন মুম্বইয়ের সোমবর্গ এলাকায়। এরইমধ্যে বাড়ি ফিরবেন বলে পরিবারের সদস্যদের জানান। সোমবার রাতে কাজ শেষ করে ট্রেনেও চড়েছিলেন। কিন্তু বাড়ি ফেরার পথে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যান ওই যুবক। ওই রাতেই মুম্বই পুলিশ রেললাইনের ধার থেকে তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করে। মঙ্গলবার সকালে জানতে পারেন পরিবারের সদস্যরা। এরইমধ্যে ময়নাতদন্ত শেষে এদিনই তাঁর নিথর দেহ চলে আসে গ্রামে।
আলফাজের এই আকস্মিক মৃত্যু নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছে তাঁর পরিবার। কেন তিনি ট্রেন থেকে নিখোঁজ হলেন? কেনই বা রেললাইনের ধারে তাঁর রক্তাক্ত দেহ মিলল? উত্তর খুঁজছেন সকলে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, এটা কোনও সাধারণ দুর্ঘটনা নয়। তাঁদের প্রশ্ন বাংলার বলার জন্যই কী তাঁকে খুন করা হল?
যদিও মুম্বই পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ঘটনাকে ‘ট্রেন দুর্ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু সেই দাবি মানতে নারাজ আলফাজের পরিজনরা। তাঁদের মতে, একজন সুস্থ যুবক কাজ থেকে ফেরার পথে এভাবে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাবেন এটা কোনওভাবেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। এর পেছনে বড় কোনও ষড়যন্ত্র বা আক্রোশ লুকিয়ে আছে বলে মনে করছেন তাঁরা। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন গ্রামবাসীরা।
