CPIM withdraws candidate: শেষ পর্যন্ত প্রার্থী দিয়েও তুলে নিতে হল সিপিএম-কে, অঙ্ক মেনে লড়বে শুধু আইএসএফ
CPIM withdraws candidate Panskura West ISF deal: এবার ২৫২টি আসনে লড়ছে বামফ্রন্ট। মূল শরিক ছাড়াও সিপিআইএমএলের জন্য থাকছে ৮টি আসন। অন্যদিকে আইএসএফের জন্য থাকছে ৩০ আসন। এর মধ্যে পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে আইএসএফের প্রার্থী আফজল আলি শাহ। কিন্তু বিগত কয়েকদিনে মানে ওই প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই পুরোদমে প্রচার শুরু করে দিয়েছিল বামেরা।

সৌমেন মণ্ডলের রিপোর্ট
পাঁশকুড়া: আগে ছিল সিপিআইয়ের হাতে। এবার সিপিআইয়ের থেকে নিয়েছিল সিপিএম। প্রার্থী হয়েছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সম্পাদক নিরঞ্জন সিহিকে। গ্রিন সিগন্যাল মিলেছিল আলিমুদ্দিন থেকে। কিন্তু তারপরেও যে খেলা ঘুরে যেতে পারে তা কেউ ভাবতেও পারেননি। কিন্তু শেষ পর্যন্তু প্রার্থী তুলে নিতে হল বামেদের। কেন? নেপথ্যে আইএসএফ। অনেক টানাপোড়েনের পর শেষ পর্যন্ত আইএসএফের সঙ্গে আসন সমঝোতা শেষ হয়েছে। তার তার পরিণতিতেই রাজ্য বামফ্রন্টের সিদ্ধান্তে পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করল সিপিআইএম।
এবার ২৫২টি আসনে লড়ছে বামফ্রন্ট। মূল শরিক ছাড়াও সিপিআইএমএলের জন্য থাকছে ৮টি আসন। অন্যদিকে আইএসএফের জন্য থাকছে ৩০ আসন। এর মধ্যে পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে আইএসএফের প্রার্থী আফজল আলি শাহ। কিন্তু বিগত কয়েকদিনে মানে ওই প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই পুরোদমে প্রচার শুরু করে দিয়েছিল বামেরা। নিরঞ্জন সিহির সমর্থনে দেওয়াল লিখন, পতাকা বাঁধা সবই চলছিল। বুধবার রাতেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলা বামফ্রন্টের কাছে বার্তা এসে পৌঁছায় জেলা সম্পাদক নিরঞ্জন সিহিকে প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করতে হবে। কারণ, পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা আইএসএফকে ছেড়ে দিয়েছে বামফ্রন্ট।
আচমকা এ সিদ্ধান্ত নিয়ে চাপানউতোর চললেও দলের সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নিচ্ছেন নিরঞ্জন সিহি। তিনি বলেন, “প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা হওয়ার পর প্রচার করতে শুরু করেছিলাম। কিন্তু রাজ্য বামফ্রন্টের নির্দেশকে শিরোধার্য। আর প্রচার করব না। কর্মীরা সাময়িক ভেঙে পড়েছে তবে তা ঠিক হয়ে যাবে।” পশ্চিম পাঁশকুড়ার আইএসএফ প্রার্থী আফজল শাহ বলেন, “সিপিএমের জেলা সম্পাদক নিরঞ্জন সিহিকে আমি সম্মান করি। আমি ওনার কাছে যাব।”
তবে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল। তৃণমূলের তমলুক সাংগঠনিক জেলার জেলা সভাপতি সুজিত রায় আবার ঘুরিয়ে বাম-রামের তত্ত্ব টেনে এনেছেন। বলেন, “সিপিএমের জেলা সম্পাদকের প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করা প্রমাণ করে দিল বর্তমানে যে রাম সেই এখন বাম আবার যে বাম সেই এখন রাম। বাম এবং রামেদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে।” অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী সিন্টু সেনাপতি যদিও বলছেন, “এটা বামফ্রন্টের নিজস্ব ব্যাপার। পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা বিজেপি জয়ী হবে।”
