AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Burdwan School: প্রত্যেক ছাত্রীর জন্য আলাদা রেট! স্কুলের সিকিউরিটি গার্ডই কিনা… গার্লস স্কুলের এই ঘটনা সামনে আসতেই হতবাক শিক্ষাবিদরা

Burdwan School: অভিযোগ, প্রি-প্রাইমারিতে ভর্তির জন্য অভিভাবকদের কাছ থেকে মাথা পিছু প্রায় কুড়ি হাজার টাকা করে নেওয়া হচ্ছিল। এই ঘটনায় অভিযুক্ত স্কুলের সিকিউরিটি গার্ড অমিত চোঙদারকে সোমবার রাতে গ্রেফতার করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্কুল কর্তৃপক্ষের একাংশের সঙ্গে যোগসাজশেই এই ঘুষ নেওয়ার কাজ চলছিল বলে অভিযোগ।

Burdwan School: প্রত্যেক ছাত্রীর জন্য আলাদা রেট! স্কুলের সিকিউরিটি গার্ডই কিনা... গার্লস স্কুলের এই ঘটনা সামনে আসতেই হতবাক শিক্ষাবিদরা
বাঁ দিকে অভিযুক্ত Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 03, 2026 | 11:37 AM
Share

বর্ধমান:  বেশ কয়েক বছর ধরেই স্কুলে এই গুঞ্জন ঘোরাফেরা করছিল। কানাঘুষো চলছিল, তবে মাথা ঠিক কে, ধরা যাচ্ছিল না! কেই বা ‘রেট’ নির্ধারণ করত, সেটাও ছিল আতস কাচের নীচে!  সরকার পোষিত স্কুলে প্রাক প্রাথমিকে ভর্তিতে ঘুষের অভিযোগ। ঘটনায় গ্রেফতার সিকিউরিটি গার্ড।  বর্ধমানের একটি সরকার পোষিত নামী স্কুলে প্রাক প্রাথমিক বিভাগে ভর্তির নামে মোটা অঙ্কের ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। ঘটনাটি বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল গার্লস স্কুলের। এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপান উতর শুরু হয়েছে। বিজেপি শাসক তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি।

অভিযোগ, প্রি-প্রাইমারিতে ভর্তির জন্য অভিভাবকদের কাছ থেকে মাথা পিছু প্রায় কুড়ি হাজার টাকা করে নেওয়া হচ্ছিল। এই ঘটনায় অভিযুক্ত স্কুলের সিকিউরিটি গার্ড অমিত চোঙদারকে সোমবার রাতে গ্রেফতার করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্কুল কর্তৃপক্ষের একাংশের সঙ্গে যোগসাজশেই এই ঘুষ নেওয়ার কাজ চলছিল বলে অভিযোগ। সোমবার স্কুলের সামনে অভিযুক্ত সিকিউরিটি গার্ডকে আটক করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিভাবকরা। খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই ব্যক্তিকে আটক করে এবং নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে রাতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

এই ঘটনায় স্কুলের আর কে কে জড়িত রয়েছে, তা জানতে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি স্বরাজ ঘোষ বলেন, “আমরা চাই সঠিক তদন্ত করে অপরাধীদের ধরা হোক। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।” বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, “আগে কলেজে ভর্তির জন্য মোটা অঙ্কের টাকা নিচ্ছিল তৃণমূল। আর এখন মাধ্যমিক থেকে প্রাথমিক সব জায়গাতেই টাকার জন্য বসে আছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা।”  অভিযুক্তকে চেপে ধরায় তাঁর বক্তব্য, “আমার বেতনটা খুবই কম! আমার সঙ্গে কেউ নেই, আমি একা। “