Nandigram: বিজেপির দখলে থাকা পঞ্চায়েতে প্রধানের অপসারণ চাইছেন বিজেপির সদস্যরাই, সঙ্গী তৃণমূল-সিপিএম
BJP in Nandigram: এই গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট আসনের সংখ্যা ১৭। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এখানে ৯টি আসন চলে আসে বিজেপির হাতে। তারাই বোর্ড গঠন করে। বাকি থাকা ৮ আসনের মধ্যে ৬টি যায় তৃণমূলের খাতায়, দু’টি পায় সিপিএম। এদিকে এখন অনস্থার যে চিঠি বিডিও-র কাছে জমা পড়েছে তাতে সই করেছেন বিজেপির দুই সদস্য দীপ্তিরানি নায়ক ও মৌসুমী তেওয়ারি।

নন্দীগ্রাম: গ্রাম পঞ্চায়েতের দখল বিজেপির হাতে। প্রধানও তাদের। কিন্তু প্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে অনাস্থা প্রকাশ করেছেন সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য। চাঞ্চল্যকর বিষয় প্রধানের অপসারণ চেয়ে বিরোধীদের পাশাপাশি বিজেপির সদস্যরাও একজোট হয়েছেন। তাতেই সরগরম পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনৈতিক মহল। নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের নন্দীগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই বিডিও-র কাছে অনাস্থার চিঠি জমা দিয়েছেন পঞ্চায়েতের ৯ সদস্য। বিডিও নাজিরুদ্দিন সরকার বলছেন, চিঠি এসেছে। গোটা বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এই গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট আসনের সংখ্যা ১৭। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এখানে ৯টি আসন চলে আসে বিজেপির হাতে। তারাই বোর্ড গঠন করে। বাকি থাকা ৮ আসনের মধ্যে ৬টি যায় তৃণমূলের খাতায়, দু’টি পায় সিপিএম। এদিকে এখন অনস্থার যে চিঠি বিডিও-র কাছে জমা পড়েছে তাতে সই করেছেন বিজেপির দুই সদস্য দীপ্তিরানি নায়ক ও মৌসুমী তেওয়ারি। সই করেছেন সিপিএম সদস্য সামসুর নাহার এবং তৃণমূলের ৬ জন সদস্য। কিন্তু কেন এই কাণ্ড?
বিদ্রোহী সদস্যরা সকলেই জোরাল সওয়াল করছেন দুর্নীতি ও অনুন্নয়নের প্রশ্নেই। ছাব্বিশের ভোটের আগে এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হলেও বিজেপি ও তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের তরফে এ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কেউ মুখ খোলেননি। যদিও সিপিএমের পূর্বা মেদিনীপুর জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য পরিতোষ পট্টনায়েক একযোগে তোপ দাগছেন তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে। তীব্র কটাক্ষবাণ শানিয়ে তিনি বলছেন, “এই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই নানা চুরি, দুর্নীতি, তোলাবাজির খবর আসছে। পঞ্চায়েতে যে জায়গায় বিজেপি আছে সে জায়গায় তারা লুটেপুটে খাচ্ছে। যে জায়গায় তৃণমূল আছে সেখানে তারাও একই কাজ করছে।”
