Digha Hotel Fire: দায় কার? কেন চুপ দমকল-পুলিশ? দিঘার হোটেলের আগুন ঘিরে উঠছে একাধিক প্রশ্ন

Digha Hotel Fire: দায় কার? কেন চুপ দমকল-পুলিশ? দিঘার হোটেলের আগুন ঘিরে উঠছে একাধিক প্রশ্ন
প্রাণে বাঁচতে কার্নিশে আশ্রয়। ফাইল চিত্র।

Digha Hotel Fire: কিন্তু প্রশ্ন হোটেলে অগ্নি নির্বাপন ব্যাপস্থা সঠিক ভাবে যাচাই করা হয়নি কেন ? কার গাফিলতি? হোটেল কর্তৃপক্ষের দেখা মেলেনি সেদিদন থেকেই।

TV9 Bangla Digital

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Jan 29, 2022 | 7:32 AM

পূর্ব মেদিনীপুর: দিঘার সেই হোটেল আজ যেন অভিশপ্ত কালো পোড়াবাড়ি। বেলা ভূমিতে হোটেলে আগুন কলকাতার স্টিফেন কোর্টের ছায়া ফেরায়। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা নাগাদ আগুন লাগে ওই হোটেলে। আগুন লাগার পর কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আশপাশের এলাকা। পর্যটকদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। ব্যালকনির রেলিং টপকে ঝাঁপ দিতে দেখা যায় অনেককে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ২টি ইঞ্জিন। তবে আগুন লাগার কারণ হিসেবে অনুমান করা হয় শর্ট সার্কিট। কিন্তু প্রকৃত কারণ এখনও অধরা।

এই ঘটনার জেরে প্রাণহানি বা সেই অর্থে আহত হননি কেউ। কিন্তু প্রাণ ভয়ে ব্যালকনির রেলিং টপকে নীচে ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা বা হোটেলের সামনে ডিজাইনিং করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত পাইপ দিয়েও বেশ কয়েকজন পর্যটক নেমে আসেন হোটেলের তিন তলার ঘর থেকে । খবর পেয়ে বহু মানুষ এসে ঘটনাস্থলে জড়ো হন। করোনা পরিস্থিতিতে এমনিতেই হোটেলে পর্যটক সংখ্যা কম। তবে হতাহতের কোনও খবর নেই এখনো । তেমন বড়সড় কোনও বিপদ হয়নি কিন্তু দমকল বাহিনীর চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

কিন্তু প্রশ্ন হোটেলে অগ্নি নির্বাপন ব্যাপস্থা সঠিক ভাবে যাচাই করা হয়নি কেন ? কার গাফিলতি? হোটেল কর্তৃপক্ষের দেখা মেলেনি সেদিদন থেকেই। তবে একটা বিষয় উল্লেখ্য, হোটেলের কর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন অনেকেই। ঘটনার সময় কয়েকজন হোটেলের কর্মী পর্যটকদের রুম থেকে বার করে এনেছেন। সাহায্য করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও।

হোটেল কর্মীরা জানাচ্ছেন, প্রথমে হোটেলের সিঁড়ির লবি থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ওই হোটেলে ইলেকট্রিকের কাজ চলছিল। মনে করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিটের কারণে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত দিঘা থানা বা দমকল বিভাগের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনও অভিযোগ করা হয়নি। এখনও পর্যন্ত প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি তাঁরাও।

যদিও দিঘা শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের আধিকারিক মানস মন্ডল বলেন, “আমরা আগামীদিনে আরও বেশি সতর্ক হব। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা খতিয়ে দেখা হবে। আগামীদিনে হোটেলের ক্ষেত্রে বিপদকালীন সিঁড়ির ব্যাবস্থা যাতে করা হয় সেই বিষয়ে জোর দেওয়া হবে। অগ্নিসংযোগ ঘটনা ঘটলে প্রাথমিক ভাবে কী করণীয়, তার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। হোটেলের কর্মীদের প্রয়োজনীয় কর্মশালার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করি। এত বড় ঘটনা সাম্প্রতিক কালে ঘটেনি তাই গুরুত্ব দিয়ে দেখছি সমগ্র ঘটনাকে।”

আরও পড়ুন: Subrata Mukherjee: বালিগঞ্জের রাস্তার নামকরণ হবে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের নামে, জানালেন মেয়র

আরও পড়ুন: Suvendu Attacks Madan Mitra: ‘ওঁ রেজিস্টার্ড মাতাল’, শুভেন্দুর জবাবে মদন বললেন ‘ওঁ কি সাপ্লাই দেয়?’

 

Follow us on

Related Stories

Most Read Stories

Click on your DTH Provider to Add TV9 BANGLA