AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Digha: কী অবস্থা দিঘার হাসপাতালের? স্বাস্থ্য মন্ত্রী বললেন…

Purba Medinipur: তিনি জানান,"ট্রমা কেয়ারের অংশ হিসেবে সমুদ্রে ডোবা আটকানো এবং লাইফগার্ড নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। নুলিয়াদের সামাজিক দায়বদ্ধতার আওতায় এনে তাঁদের উপযুক্ত বিএলএস প্রশিক্ষণ,নির্দিষ্ট পোশাক, আইডেন্টিফিকেশন ব্যাচ এবং সরকারি রেট বেঁধে দিয়ে একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থার মধ্যে আনা হবে। সমুদ্রে নামার সময় পর্যটকদের ফ্লুরোসেন্ট ক্যাপ বা উজ্জ্বল রঙের সুইমস্যুট পরা বাঞ্ছনীয়। যাতে দূর থেকে তাঁদের স্পষ্ট দেখা যায় ও লাইফ গার্ডরা সহজেই নজর রাখতে পারেন। সমুদ্রতট ও সংলগ্ন এলাকায় মদ বা অন্যান্য মাদকদ্রব্য সেবন করে সমুদ্রে নামা সম্পূর্ণ বেআইনি করা উচিত বলে তিনি মনে করেন।"

Digha: কী অবস্থা দিঘার হাসপাতালের? স্বাস্থ্য মন্ত্রী বললেন...
শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, স্বাস্থ্যমন্ত্রীImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Aug 01, 2026 | 5:40 PM
Share

দিঘা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় শনিবার দিঘা রাজ্য সাধারণ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে হাসপাতালের পরিষেবা, পরিকাঠামোর মানোন্নয়ন এবং সুরক্ষামূলক একাধিক ব্যবস্থা নিয়ে পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। চিকিৎসক ও কর্মী সঙ্কট এবং পরিষেবা মানোন্নয়ন নিয়ে মন্ত্রী জানান, “দিঘা হাসপাতালে এই মুহূর্তে যা পরিষেবা চালু রয়েছে, সেখানে মূল সমস্যা হল ‘ম্যান পাওয়ার’ বা চিকিৎসক ও কর্মী সঙ্কট।” হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি চিকিৎসকের সঙ্কট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। হাসপাতালে অন্তত পাঁচজন জেনারেল ডিউটি মেডিক্যাল অফিসার, তিনজন শল্য চিকিৎসক তিনজন অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞ,একজন শিশু রোগ ,স্ত্রীরোগ, একজন অ্যানাস্থেসিস্ট এবং অন্তত দুইজন রেডিওলজিস্ট প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, বিশেষ করে সার্জন, অর্থোপেডিক এবং রেডিওলজিস্টের তীব্র অভাব রয়েছে।

তবে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতার প্রশংসা করে তিনি ১০-এ ১০ নম্বর দেন। বলেন, “ওভার অল দেখলে ১০-৯ নম্বর দেব। দিঘাকে আর নন্দীগ্রামকে এগিয়ে রাখব।” দিঘায় পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। কারণ এখানে শনি ও রবিবার পর্যটকদের বিপুল ভিড় বা জনঘনত্ব থাকে।

তিনি জানান,”ট্রমা কেয়ারের অংশ হিসেবে সমুদ্রে ডোবা আটকানো এবং লাইফগার্ড নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। নুলিয়াদের সামাজিক দায়বদ্ধতার আওতায় এনে তাঁদের উপযুক্ত বিএলএস প্রশিক্ষণ,নির্দিষ্ট পোশাক, আইডেন্টিফিকেশন ব্যাচ এবং সরকারি রেট বেঁধে দিয়ে একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থার মধ্যে আনা হবে। সমুদ্রে নামার সময় পর্যটকদের ফ্লুরোসেন্ট ক্যাপ বা উজ্জ্বল রঙের সুইমস্যুট পরা বাঞ্ছনীয়। যাতে দূর থেকে তাঁদের স্পষ্ট দেখা যায় ও লাইফ গার্ডরা সহজেই নজর রাখতে পারেন। সমুদ্রতট ও সংলগ্ন এলাকায় মদ বা অন্যান্য মাদকদ্রব্য সেবন করে সমুদ্রে নামা সম্পূর্ণ বেআইনি করা উচিত বলে তিনি মনে করেন।”

তিনি এও বলেন,”সৈকতে ডাবের জল, কোল্ড ড্রিঙ্কস বা লিচুর রসের সঙ্গে মদ মিশিয়ে খাওয়ার যে প্রবণতা রয়েছে। সে বিষয়ে পুলিশ-প্রশাসন ও জেলা শাসককে সচেতন থেকে ‘ব্রেথ অ্যানালাইজার’ পরীক্ষার মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।” নার্সিং স্টাফদের পরিষেবাকে অত্যন্ত ভালো বলে উল্লেখ করেন।

তিনি জানান,নার্সিং স্টাফদেরকে এখন ‘ক্লিনিক্যাল নার্সিং’-এর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। যাতে প্রসূতি মায়েদের উচ্চ রক্তচাপ বা এক্ল্যাম্পশিয়ার মতো জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের আসার আগেই প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করা যায়। পরিকাঠামো ও আধুনিক চিকিৎসার প্রসার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “হাসপাতালের জায়গা কম থাকার কারণে ইমার্জেন্সি বিভাগটি ছোট এবং সেখানে বিকল্প জায়গা খোঁজার চেষ্টা চলছে।”

তিনি আরও জানান, মুখ্যমন্ত্রী উদ্যোগে রাজ্যে ‘মোবাইল মেডিক্যাল ইউনিট’ চালু হচ্ছে, যা চাকার ওপর চলবে। মেদিনীপুরের অন্যান্য জায়গায় পৌঁছলেও দিঘায় খুব শীঘ্রই তা চলে আসবে। এই ইউনিটে হ্যান্ডহেল্ড এক্স-রে মেশিন, ল্যাব, ইসিজি এবং কার্ডিয়াক প্রোব বা ইকোকার্ডিওগ্রাফি করার সুবিধাসহ আল্ট্রাসোনোগ্রাফি মেশিন থাকবে।

Follow Us