Tamralipta express: ইঞ্জিনের সামনে গেঁথে রয়েছে মহিলার দেহ, সেই অবস্থাতেই দিঘার দিকে ছুটল তাম্প্রলিপ্ত এক্সপ্রেস
Purba Medinipur: হাড়হিম ঘটনাটি বুধবার সকাল পৌনে দশটা নাগাদ। পূর্ব মেদিনীপুরের হেঁড়িয়া ও নাচিন্দা স্টেশনের মাঝামাঝি ৩৮ নম্বর এল/সি গেটের কাছে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দেন এক প্রৌঢ়া। দেহটি ইঞ্জিনের সামনে গেঁথে যাওয়া অবস্থাতেই ট্রেনটি কাঁথি স্টেশনে অদূরে এসে পৌঁছয়।

পূর্ব মেদিনীপুর: হাড়হিম ঘটনা ঘটল তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেসে (Tamralipta Express)। চলন্ত ট্রেনের ইঞ্জিনে আটকে রয়েছে এক মহিলার ছিন্নভিন্ন দেহ। সেই অবস্থাতেই দিঘা অভিমুখে ছুটে চলল ১২৮৫৭ আপ তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেস। যা দেখে কার্যত শিউরে উঠলেন সকলে।
হাড়হিম ঘটনাটি বুধবার সকাল পৌনে দশটা নাগাদ। পূর্ব মেদিনীপুরের হেঁড়িয়া ও নাচিন্দা স্টেশনের মাঝামাঝি ৩৮ নম্বর এল/সি গেটের কাছে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দেন এক প্রৌঢ়া। দেহটি ইঞ্জিনের সামনে গেঁথে যাওয়া অবস্থাতেই ট্রেনটি কাঁথি স্টেশনে অদূরে এসে পৌঁছয়। সেই দৃশ্য দেখে রীতমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। খবর পেয়ে রেল পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
দিঘা জিআরপি থানা সূত্রে খবর,নিহতের নাম ছবিরানি বেরা (৬০)। তিনি খেজুরি ১ ব্লকের হেঁড়িয়া অঞ্চলের কৃষ্ণনগর গ্রামের বাসিন্দা। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান,মহিলা আত্মহত্যা করেছেন। পরিবার সূত্রে জানা গিছে,বছর দেড়েক আগে বড় ছেলের দুর্ঘটনায় মৃত্যু হওয়ার পর থেকেই তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। এর আগেও দু’বার তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন।
প্রসঙ্গত এর আগে মেদিনীপুর স্টেশন থেকে এক বৃদ্ধ যাত্রীর দেহ উদ্ধার হয়েছিল। তাঁর বাড়ি কর্ণাটকে। পুরুলিয়ার আদ্রা থেকে উঠেছিলেন ওই ব্যক্তি। তারপর পরের দিন সকালে সাতটার সময় মেদিনীপুর স্টেশনে ওই ট্রেন পৌঁছোনোর পর কামরা থেকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ওই যাত্রীকে। রেলের চিকিৎসকরা পরে তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করেন। পরে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে ঘোষণা করেন।
