Bangladesh: খাবি খেতে হবে এবার! যাওয়ার আগে বাংলাদেশকে ডুবিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন ইউনূস?
Muhammad Yunus: হাসিনা সরকারের পতনের পর বিগত দেড় বছরে ইউনূস সরকার ১৩৫টি নতুন প্রকল্প তৈরি করেছে। এর জন্য খরচ হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা। সবথেকে বেশি খরচ করা হয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাতের প্রকল্পে। স্বাস্থ্য খাতে কম বিনিয়োগ করা হয়েছিল। শেষবেলায় তিনটি নতুন প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে।

ঢাকা: হাতে মাত্র আর ক’দিন। তারপরই বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন। হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের শাসনভার যায় অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে। এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। এবার অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। ক্ষমতায় আসবে নির্বাচিত সরকার। তবে ক্ষমতা থেকে বিদায় নেওয়ার আগে কি দেশকে ডুবিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন মহম্মদ ইউনূস? এমনিতেই ঋণে জর্জরিত বাংলাদেশ। তার উপরে আরও নতুন প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছেন ইউনূস। এই টাকা জোগাবে কে? আবার ঋণ। একের পর এক ঋণ নেওয়ার কারণেই বিদায়বেলায় প্রশ্নের মুখে ইউনূস সরকার।
ঢাকা ঢাকা ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যুয়ারেজ অথরিটি বা ওয়াসার ঘাড়ে আগে থেকেই ঋণ ছিল। ২৪ হাজার কোটি টাকার ঋণ। সেই ঋণ পরিশোধ করা হয়নি, তার মধ্যেই ইউনূস সরকার আরও একটি প্রকল্প শুরু করেছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর গত ২৩ ডিসেম্বর ঘোষণা করা হয়, ওয়াসা প্রশিক্ষণ এবং গবেষণা একাডেমি স্থাপন করা হবে। সেই প্রকল্পও ঋণের টাকায় হবে। এর জন্য খরচ হবে ৭২১ কোটি টাকা। এবার এত টাকা আসবে কোথা থেকে? জানা গিয়েছে, এর জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে ৫৭১ কোটি টাকা ঋণ নেবে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শেষবেলায় (১ ডিসেম্বর থেকে ২৫ জানুয়ারি) মহম্মদ ইউনূস ৬৪টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এর জন্য মোট খরচ হবে ১ লাখ ৬ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪০টি নতুন প্রকল্প। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৭৯ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা। এই সব নতুন প্রকল্পের মধ্যে এমন কিছু প্রকল্পও রয়েছে, যার বিশেষ প্রয়োজনীয়তা নেই। কিছু প্রকল্প আবার বিতর্কিত।
হাসিনা সরকারের পতনের পর বিগত দেড় বছরে ইউনূস সরকার ১৩৫টি নতুন প্রকল্প তৈরি করেছে। এর জন্য খরচ হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার কোটি টাকা। সবথেকে বেশি খরচ করা হয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাতের প্রকল্পে। স্বাস্থ্য খাতে কম বিনিয়োগ করা হয়েছিল। শেষবেলায় তিনটি নতুন প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। শিক্ষা খাতেও বিনিয়োগ করা হয়েছে। তবে কর্মসংস্থান, যা বাংলাদেশের সবথেকে বড় সমস্যা, তার উপরে বিশেষ জোর দেওয়া হয়নি।
এর মধ্যে আরও একটি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেটা হল, এই প্রকল্পের মধ্যে সবথেকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রামকে। নানা প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। সেখানেই ২১টা জেলার জন্য কোনও প্রকল্প বরাদ্দ করা হয়নি। কেন শুধু চট্টগ্রামকে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হল, সেই প্রশ্নের উত্তরে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন যে ঢাকায় জল ও নিকাশি ব্যবস্থা চট্টগ্রামের তুলনায় অনেক ভাল। এখন রফতানি বাড়াতে চট্টগ্রাম বন্দরের পরিকাঠামোর উন্নতি করা হচ্ছে। সেই কারণেই চট্টগ্রামে বরাদ্দ বেশি।
