Balochistan on India: ‘শিয়ের সেনা আসছে…’, জয়শঙ্করের উদ্দেশে বালোচিস্তান থেকে ‘খোলা চিঠি’! বাড়ছে উদ্বেগ
Balochistan Leader Supports India: জয়শঙ্করের উদ্দেশে লেখা চিঠিতে পাকিস্তান-চিনের সম্পর্ক নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ওই মানবাধিকার কর্মী। তিনি লিখেছেন, 'গত ৭৯ বছর ধরে বালোচিস্তানের জনগণ পাকিস্তানের দ্বারা রাষ্ট্রীয় ভাবে নিয়ন্ত্রিত। ওদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় চলা সন্ত্রাসবাদ এবং মানবাধিকার বিরোধী অভিযান, দিন দিন ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে।

নয়াদিল্লি: শিয়ের লাল চক্ষু দেখতে পাচ্ছে বালোচিস্তানবাসী। পাকিস্তানের অন্দর থেকে ভারতের কাছে সহযোগিতা চেয়ে এল বার্তা। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে ‘খোলা চিঠি’ লিখলেন বালোচ নেতা তথা মানবাধিকার কর্মী মীর ইয়ার বালোচ। নতুন বছরের প্রথম দিনেই এক্স হ্যান্ডেলে ভাইরাল হয়েছে সেই চিঠি। ঠিক কী লেখা রয়েছে তাতে? বিপদ কতটা চিন্তাদায়ক?
জয়শঙ্করের উদ্দেশে লেখা চিঠিতে পাকিস্তান-চিনের সম্পর্ক নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ওই মানবাধিকার কর্মী। তিনি লিখেছেন, ‘গত ৭৯ বছর ধরে বালোচিস্তানের জনগণ পাকিস্তানের দ্বারা রাষ্ট্রীয় ভাবে নিয়ন্ত্রিত। ওদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় চলা সন্ত্রাসবাদ এবং মানবাধিকার বিরোধী অভিযান, দিন দিন ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। এখন সময় এসেছে সেই যন্ত্রণাকে নির্মূল করার।’
এই চিঠিতে চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মীর। ২০১৩ সালে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি এবং চিনের বিদেশমন্ত্রী লি কিয়াং, দুই দেশের মধ্য়ে পারস্পরিক সমন্বয় বাড়াতে একটি সমঝোতা পত্র স্বাক্ষর করে। মনে করা হয়, এই সমঝোতা পত্র থেকেই সিপেক বা চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের ভাবনার জন্ম হয়েছে। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে এই প্রকল্পের কথা প্রকাশ্যে আনে বেজিং। যা ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশ করে নয়াদিল্লি। এবার সেই প্রকল্প নিয়ে চিন্তিত বালোচিস্তানও। ইসলামাবাদ-বেজিংয়ের মধ্য়ে বেড়ে ওঠা সম্পর্ককে ‘ভয়ঙ্কর’ বলে মনে করছে তাঁরা।
Open letter to Honorable Foreign Minister of #Bharat Shri @DrSJaishankar ji
From, Baloch Representative, Republic of Balochistan State. The Honorable Dr. S. Jaishankar, Minister of External Affairs, Government of Bharat, South Block, Raisina Hill, New Delhi – 110011
January… https://t.co/WdjaACsG2V pic.twitter.com/IOEusbUsOB
— Mir Yar Baloch (@miryar_baloch) January 1, 2026
জয়শঙ্করের উদ্দেশে লেখা ‘খোলা চিঠিতে’ মীর উদ্বেগ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘যদি বালোচিস্তান নিজেদের প্রতিরক্ষা ও স্বাধীনতা বাহিনীর আরও শক্তিশালী না করতে পারে, তা হলে যে কোনও বা আরও স্পষ্ট করে বললে, কয়েক মাসের মধঅেয়ই চিন বালোচিস্তানে তাঁদের সামরিক বাহিনী মোতায়েন করে দেবে।’ যদি এমনটা হয়, তা হলে বালোচিস্তান ও ভারতের জন্য তা বড় চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে বলেও মত মীরের। এই পরিস্থিতি ভারতের দিকেই নিজেদের সমর্থন জাহির করেছেন মীর। তাঁর দাবি, ‘বালোচিস্তানের জনগণের পক্ষ থেকে আমরা শান্তি, সমৃদ্ধি, উন্নয়ন, বাণিজ্য এবং প্রতিরক্ষার স্বার্থে ভারত এবং তার সরকারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করছি।’
