মৃত্যুর পর AADHAAR CARD-VOTER CARD-র কী হয়, জানেন?
Government Rules: প্রত্যেক নাগরিকের জন্য আধার কার্ড, ভোটার কার্ড এবং প্যান কার্ড সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি ও পরিচয়পত্র। ব্যাঙ্কের লেনদেন থেকে শুরু করে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা- সবকিছুর জন্য এই নথিগুলি লাগেই। তবে কখনও ভেবে দেখেছেন যে কারোর মৃত্যুর পর তাঁর পরিচয়পত্রগুলির কী হয়?

নয়া দিল্লি: আধার কার্ড কিংবা ভোটার কার্ড কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা নতুন করে বলার দরকার রাখে না। ভারতে বসবাসকারী প্রত্যেক নাগরিকের জন্য আধার কার্ড, ভোটার কার্ড এবং প্যান কার্ড সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি ও পরিচয়পত্র। ব্যাঙ্কের লেনদেন থেকে শুরু করে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা- সবকিছুর জন্য এই নথিগুলি লাগেই। তবে কখনও ভেবে দেখেছেন যে কারোর মৃত্যুর পর তাঁর পরিচয়পত্রগুলির কী হয়? এগুলি নিয়ে কী করা উচিত?
আধার কার্ড-
দেশের নাগরিকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি আধার কার্ড। তবে আধার কার্ড তৈরি করা গেলেও, কারোর মৃত্যুর পর সেটি সমর্পণ বা সারেন্ডার করার কোনও ব্যবস্থা নেই। সাধারণত, পরিবারের সদস্যরা কোনও ব্যক্তির মৃত্যুর পর তিনি যে এলাকায় থাকেন, সেখানে পৌরসভা বা গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে মৃত্যুর শংসাপত্র বা ডেথ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করেন। যেহেতু সরকার জন্ম ও মৃত্যুর নথি আধার ডেটাবেসের সঙ্গে সংযুক্ত করার ব্যবস্থা চালু করেছে, তাই ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যু হলেই, তার সমস্ত তথ্য-বিবরণ নথিভুক্ত হয়ে যায়। তখন ওই আধার কার্ড নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। এর ফলে আধার নম্বর অপব্যবহার হওয়া থেকে সুরক্ষিত থাকে।
প্যান কার্ড-
ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, সম্পত্তি সংক্রান্ত লেনদেন এবং আর্থিক লেনদেনের জন্য প্যান কার্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিবারের কারোর মৃত্যুর পরপরই প্যান কার্ড বাতিল করা উচিত নয়। যদি মৃত ব্যক্তির নামে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, কোনও বিনিয়োগ বা বকেয়া আয়কর রিফান্ড থাকে, তবে সেই লেনদেনগুলি সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত প্যান কার্ডটি সুরক্ষিত রাখা উচিত। সমস্ত আর্থিক লেনদেন নিষ্পত্তি এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর, আয়কর বিভাগের কাছে ওই ব্যক্তির আইনি উত্তরাধিকারীরা প্যান কার্ড জমা দিতে পারেন। যদিও এটি বাধ্যতামূলক নয়। তবে যেকোনও আর্থিক জালিয়াতি এড়াতে, কোনও ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার প্যান কার্ড জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
ভোটার আইডি-
মৃত ব্যক্তির নামে ভোটার আইডির অপব্যবহার রোধ করতে নির্বাচন কমিশনের কঠোর নিয়ম আছে। স্থানীয় নির্বাচনী রেজিস্ট্রেশন আধিকারিক বা কর্মকর্তার কাছে ডেথ সার্টিফিকেট সহ ফর্ম ৭ জমা দিয়ে মৃত ব্যক্তির নাম ভোটার তালিকা থেকে স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়া যেতে পারে।
পাসপোর্ট-
পাসপোর্টের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে। তাই সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবৈধ হয়ে যায়। কোনও ব্য়ক্তির মৃত্যুর পর, তার পাসপোর্ট ক্যানসেল করার জন্য আলাদাভাবে আবেদন করার প্রয়োজন নেই।
