Abhishek Banerjee: ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিস নিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টে তৃণমূল, কী আবেদন করল?
Kalighat TMC Supreme Court Billboard Case: অভিযোগ, ওই বিলবোর্ড বিপজ্জনকভাবে ঝুলছিল। হাইকোর্টে ক্যামাক স্ট্রিটের ওই বাড়ির মালিক জানান, তাঁর অনুমতি ছাড়াই ওই বিলবোর্ড লাগিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা। আবার হাইকোর্টে কালীঘাট তৃণমূল আবেদন করেছিল, বিলবোর্ড সরানোর সময় পৌরনিগমের যেসব আধিকারিক, পুলিশকর্মী উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের নাম, পদ, পরিচয় প্রকাশ করা হোক।

কলকাতা ও নয়াদিল্লি: ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস থেকে তৃণমূলের নামাঙ্কিত বিলবোর্ড খুলে দেওয়ার ঘটনায় এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে তারা শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে। কালীঘাট তৃণমূলের আবেদন, বিলবোর্ডটি আবার আগের জায়গায় লাগিয়ে দেওয়া হোক। আগামী সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) তৃণমূলের এই মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট।
কয়েকদিন আগে ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিসে বিলবোর্ড খুলতে গিয়েছিলেন কলকাতা পৌরনিগমের আধিকারিকরা। সেইসময় অভিষেক ও তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের বাধার মুখে পড়তে হয় তাঁদের। এমনকি, পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতিও হয়েছিল। সেই বাধা কাটিয়ে বিলবোর্ড খোলেন পৌরকর্মীরা।
ওই বিলবোর্ড খোলার বিরোধিতা করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল কালীঘাট তৃণমূল। যদিও কালীঘাট তৃণমূলের কোনও আবেদনেই সাড়া দেননি হাইকোর্টের বিচারপতি রাজা বসুচৌধুরী। বিচারপতি জানান, যেহেতু বিলবোর্ড ইতিমধ্যেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাই আদালত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেবে না। এখনই আবার বিলবোর্ড লাগিয়ে দিতে বললে সেটি চূড়ান্ত রায়ের সমান হবে। তৃণমূল পৌরসভা ও পুলিশের যে আধিকারিকদের নাম চেয়েছে, তার জন্য যথেষ্ট নথিভিত্তিক তথ্য আদালতের সামনে নেই।
অভিযোগ, ওই বিলবোর্ড বিপজ্জনকভাবে ঝুলছিল। হাইকোর্টে ক্যামাক স্ট্রিটের ওই বাড়ির মালিক জানান, তাঁর অনুমতি ছাড়াই ওই বিলবোর্ড লাগিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা। আবার হাইকোর্টে কালীঘাট তৃণমূল আবেদন করেছিল, বিলবোর্ড সরানোর সময় পৌরনিগমের যেসব আধিকারিক, পুলিশকর্মী উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের নাম, পদ, পরিচয় প্রকাশ করা হোক। বিলবোর্ডটিও আগের জায়গায় লাগিয়ে দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছিল হাইকোর্টে। কিন্তু, হাইকোর্ট সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি। তারপরই এদিন সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল কালীঘাট তৃণমূল। সোমবার কালীঘাট তৃণমূলের আবেদনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট কী বলে, সেটাই এখন দেখার।
