AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

I PAC ED Raid: হুড়মুড়িয়ে ফাইল গাড়িতে তোলার সময়েই হাত ফস্কে পড়ে একটা, ফাইল খুলে যেতেই বেরিয়ে পড়ে সেই কাগজ! সাংবাদিকদের দড়ি দিয়ে আটকেও ফাইল রহস্য উন্মোচন

I PAC ED Raid: গোদরেজ ওয়াটার সাইডের আই প্যাকের অফিসে তখন যেন যুদ্ধ যুদ্ধ পরিস্থিতি। একদিকে পুলিশি ঘেরাটোপ, সামনে রয়েছে মহিলা পুলিশ। একটা পাশ দড়ি দিয়ে বাঁধা। আর আরেক পাশে রাখা সেই রহস্যময় গাড়ি। যে গাড়িতে অফিস থেকে নামিয়ে গুচ্ছ গুচ্ছ ফাইল তোলা হয়েছিল। তল্লাশির মাঝেই ঠিক বেসমেন্টে সাদা SUV এসে দাঁড়ায়।

I PAC ED Raid: হুড়মুড়িয়ে ফাইল গাড়িতে তোলার সময়েই হাত ফস্কে পড়ে একটা, ফাইল খুলে যেতেই বেরিয়ে পড়ে সেই কাগজ! সাংবাদিকদের দড়ি দিয়ে আটকেও ফাইল রহস্য উন্মোচন
গদরেজ ওয়াটার সাইডের অফিসে তল্লাশিImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 08, 2026 | 2:42 PM
Share

কলকাতা:  বেলা সাড়ে এগারোটা। I PAC কর্তার প্রতীক জৈনের ৭ নম্বর লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে যখন তল্লাশি শুরু করেছেন ইডি আধিকারিকরা, তখনই নজিরবিহীনভাবে সেখানে পৌঁছন সিপি মনোজ ভর্মা। আর তার ঠিক পাঁচ মিনিটের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তল্লাশির মাঝেই সোজা ঢুকে যান প্রতীকের বাড়িতে। কিছুক্ষণের মধ্যে প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলেন সবুজ ফাইল হাতে। বেরিয়ে এসে বিস্ফোরক মমতা। অভিযোগ, অমিত শাহ তাঁর দলের স্ট্র্যাটেজি, প্রার্থী তালিকা, প্ল্যানিংয়ের হার্ড ডিস্ক হাতিয়ে নিতেই তল্লাশি চালিয়েছে। এরপরই তিনি বলেন, ইডি যাচ্ছে IPAC-র সল্টলেকের অফিসে। বলেই সল্টলেকের অফিসের উদ্দেশে রওনা হন মমতা। সাংবাদিকরাও পিছু পিছু।

গোদরেজ ওয়াটার সাইডের আই প্যাকের অফিসে তখন যেন যুদ্ধ যুদ্ধ পরিস্থিতি। একদিকে পুলিশি ঘেরাটোপ, সামনে রয়েছে মহিলা পুলিশ। একটা পাশ দড়ি দিয়ে বাঁধা। আর আরেক পাশে রাখা সেই রহস্যময় গাড়ি। যে গাড়িতে অফিস থেকে নামিয়ে গুচ্ছ গুচ্ছ ফাইল তোলা হয়েছিল। তল্লাশির মাঝেই ঠিক বেসমেন্টে সাদা SUV এসে দাঁড়ায়। দেখা যায়, দুজন হাতে ফাইল নিয়ে এসে রাখেন ওই গাড়িতে। তাঁদের পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা তখন। আদৌ তাঁরা ওই বেসরকারি সংস্থার কর্মী নাকি পুলিশ, তা বোঝা যাচ্ছিল না। ফাইল নিয়ে এসে সোজা সাদা গাড়ির মাঝের অংশে সিটের ওপর রাখা হল। আর সেই গাড়ি ঘিরে রাখে পুলিশ। মোটা দড়ি দিয়ে গাড়ি থেকে দূরত্বে একপাশে আটকে দেওয়া হয় সাংবাদিকদের।  যাতে কেউ সেই গাড়ির কাছে গিয়ে ফাইলের ছবি তুলতে না পারেন।

মুখ্যমন্ত্রী গোদরেজ ওয়াটার সাইডে ঢোকার ঠিক পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ওই দুই ব্যক্তি হাতে মোটা মোটা ফাইল নিয়ে নীচে নামেন। তাঁদের মধ্যে এক জনের হাত থেকে ফাইল পড়ে যায় মাটিতে। মোটা সেই ফাইলের ‘আনকভারড’ হয়ে যায়। সেখানে ফাইলের কভার খুলে যেতেই দেখা যায়, একটি কাগজ, তাতে লেখা ‘গর্ভমেন্ট অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল’। সেটা জেরক্স করার কোনও একটি নথি। যাতে সংবাদমাধ্যম যাতে তার ছবি তুলতে না পারেন, মুহূর্তের মধ্যে তা কুড়িয়ে গাড়িতে তোলা হয়।

জানা যাচ্ছে, কয়লা পাচার সংক্রান্ত নথি সংগ্রহ করার চেষ্টা করছিলেন ইডি আধিকারিকরা। এই সময়েই পুলিশের সঙ্গে বচসা বাধে কেন্দ্রীয় বাহিনীর। ডিসি সাউথ, পুলিশ কমিশনার মনোজ ভর্মা পৌঁছন। আর তারপরই পৌঁছন  প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।