‘যাঁর হাতে রাখি বেঁধেছি…’, রাহুলদাকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ শ্রুতি দাস
দেশের মাটি ধারাবাহিকে রাহুলের সঙ্গে কাজ করেছেন শ্রুতি। বাস্তবে তাঁদের সম্পর্ক ছিল আগাগোড়া ভাই-বোনের। কাজের ফাঁকে খুনসুটি হোক কিংবা সিরিয়াস আলোচনা— রাহুল ছিলেন শ্রুতির বড় দাদার মতো। এমনকি পর্দার বাইরেও তাঁদের এই বিশেষ বন্ধন বজায় ছিল।

তালসারি বিচে ‘ভোলেবাবা পার করেগা ‘ ধারাবাহিকের শুটিং করতে গিয়ে যে এমন মর্মান্তিক পরিণতি হবে, তা হয়তো দুঃস্বপ্নেও ভাবেননি কেউ। অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের জলে ডুবে মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তাঁর সহকর্মীরা। শোকাতুর অভিনেত্রী শ্রুতি দাস। রাহুলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল ভাই-বোনের মতো। প্রতি বছর নিয়ম করে দাদাকে রাখি পরাতেন তিনি। সেই দাদার এমন চলে যাওয়া যেন শ্রুতির কাছে এক অপূরণীয় ক্ষতি।
দেশের মাটি ধারাবাহিকে রাহুলের সঙ্গে কাজ করেছেন শ্রুতি। বাস্তবে তাঁদের সম্পর্ক ছিল আগাগোড়া ভাই-বোনের। কাজের ফাঁকে খুনসুটি হোক কিংবা সিরিয়াস আলোচনা— রাহুল ছিলেন শ্রুতির বড় দাদার মতো। এমনকি পর্দার বাইরেও তাঁদের এই বিশেষ বন্ধন বজায় ছিল।
টিভি৯ বাংলাকে কী বললেন শ্রুতি?
অভিনেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কথা বলার মতো অবস্থায় ছিলেন না। ফোন না ধরে মেসেজের মাধ্যমে তিনি জানান, “যাঁর হাতে রাখি বেঁধেছি, তাঁকে আর ছুঁতে পারব না… এর বেশি কিছু বলার নেই আমার।” রাখি পরা সেই হাতটি যে আর আশীর্বাদ করতে এগিয়ে আসবে না, সেই কঠিন সত্যটা যেন এখনও বিশ্বাস করতে পারছেন না তিনি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় রাহুলের সঙ্গে শুটিংয়ের মুহূর্ত ভাগ করে নিয়ে শ্রুতি লিখেছেন “আয় আর একটি বার আয় রে সখা………….
ও রাজা দা……….!!!!!!!!!! ”
‘ভোলেবাবা পার করেগা ‘ ধারাবাহিকের এ দিনের শুটিংয়ের বেশ কয়েকটি ভিডিয়ো সামনে এসেছে। যেখানে দেখা গিয়েছে, সহ অভিনেতা, অভিনেত্রীদের সঙ্গে বসে গল্প করছেন রাহুল। তাঁকে খোশমেজাজেই দেখা গিয়েছে। কয়েকঘণ্টা পরই দুর্ঘটনা ঘটে। তালসারিতে ধারাবাহিকের শুটিং চলাকালীন রবিবারের এই দুর্ঘটনা যেন গোটা বিনোদন জগতের ছন্দ কেড়ে নিয়েছে। মাত্র ৪৩ বছরে রাহুলের এই অকাল প্রয়াণ কেবল শ্রুতি নয়, সবার কাছেই এক বড় ধাক্কা।
