কাজলের জীবনে বাড়িতে দুশ্চিন্তার পাহাড়। মা তনুজা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ৮০ বছর বয়স হয়েছে তনুজার। শরীর এই খারাপ, তো এই ভাল তাঁর। তনুজা কাবু হয়েছেন এই শীতে। রবিবার (১৭ ডিসেম্বর, ২০২৩) হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে কিংবদন্তি নায়িকাকে। রাখা হয়েছে মুম্বইয়ের জুহু হাসপাতালে। আইসিইউতে ভর্তি হয়েছেন তনুজা। দিনরাত মায়ের কাছেই পড়ে আছেন কাজল এবং তাঁর বোন তানিশা। একবারের জন্যেও বাড়ি আসেননি তাঁরা।
রবিবার বিকেলে হঠাৎই খুব অসুস্থ হয়ে যান তনুজা। হাত-পা কাঁপতে থাকে তাঁর। রক্তচাপেও তারতম্য দেখা দিতে থাকে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছেন তনুজা। নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয় মাঝেমধ্যেই। তাই শরীর একটু অসুস্থ হতেই তাঁকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। সরাসরি ভর্তি করানো হয়েছে আইসিইউতে। কয়েকজন ডাক্তার তাঁকে দেখে রাখছেন ২৪ ঘণ্টা। তবে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে স্থিতিশীল আছেন তনুজা।
এ বছর TV9 বাংলা হাজির হয়েছিল মুম্বইয়ে কাজলের বাড়ির দুর্গাপুজোয়। রানি- কাজলরা সকলেই হইচই করেছিলেন সেই পুজোয়। সেই পুজোর আসরে উপস্থিত ছিলেন ৮০ বছরের তনুজাও। খুব আনন্দ করেছিলেন বাড়ির পুজোতে।
৫০-এর দশকের মিষ্টি অভিনেত্রী হিসেবে খুবই সুনাম অর্জন করেছিলেন তনুজা। তাঁর পুরোনাম তনুজা সমর্থ। বাবা কুমারসেন সমর্থ এক চলচ্চিত্র পরিচালক। এবং বাবা শোভনা সমর্থও এক অভিনেত্রী। ১৯৭৩ সালে মুম্বইয়ের বাঙালি পরিচালক সমু মুখোপাধ্যায়কে বিয়ে করেন তনুজা। তাঁর দিদি নূতনও অভিনেত্রী। দিদির সঙ্গে ‘হামারি বেটি’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডে প্রবেশ করেন তনুজা। তারপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। একের পর-এক ছবিতে অভিনয় করেন তনুজা। বাংলা ছবিতেও অভিনয় করেছেন তিনি। উত্তমকুমারের সঙ্গে কালজয়ী ‘দেয়া নেয়া’ ছবিতে তাঁর অভিনয় দেখে সকলেই মুগ্ধ হয়েছিলেন। অভিনয় করেছেন ‘অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি’, ‘তিন ভুবনের পারে’, ‘প্রথম কদম ফুল’ এবং ‘রাজকুমারী’র মতো বাংলা ছবিতে। বাংলার এই অবাঙালি বউমা তাই বাংলারও খুবই কাছের। তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করে TV9 বাংলা।
তনুজা তখন…