
পঞ্চাশ বছরের এক বিরাট ইতিহাস 'রবিচ্ছায়া'র। শহরে এই সংস্থাটি শুরু করেছিলেন প্রয়াত রুদ্রদেব রুদ্র। শান্তিনিকেতনেই পড়াশোনা তাঁর। রবিঠাকুরের অনুপ্রেরণাতেই তৈরি হয়েছিল এই সংস্থা। যদিও কিছু বছর আগে অনলাইন প্রশিক্ষণেপ ধারণাই ছিল না কারও মধ্যে।

কথায় আছে সময়ই একমাত্র ধ্রুবক। বাকি সব কিছুই পরিবর্তনশীল। তেমনই সময়ের সঙ্গে 'রবিচ্ছায়া'র প্রশিক্ষণের ধারাও বদলেছে। বিশ্বব্যাপি রবি ঠাকুরের চর্চা হয় অনলাইনের মাধ্যমে। এই সংস্থার দায়িত্বে রয়েছেন সুদেষ্ণা সান্যাল রুদ্র। তিনিও শান্তিনিকেতনের সঙ্গীত ভবনের ছাত্রী।

দেখতে দেখতে পঞ্চাশ বছরে পা দিল এই সংস্থা। সেই উপলক্ষেই বিশাল সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছিল। তাঁদের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানের ট্যাগ লাইনই ছিল 'মেশিন থেকে মঞ্চ।'

4. এই অনুষ্ঠানে প্রবীন রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী শ্রীমতী বিভা সেনগুপ্ত ও নৃত্যশিল্পী শ্রীমতী পূর্ণিমা ঘোষ কে রবিচ্ছায়ার পক্ষ থেকে "জীবন কৃতি"সম্মান তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ডাঃ চন্দ্রাবলী ঘোষাল ও শ্রী গৌতম দে মহাশয়ের একক ও তাঁদের সংস্থার সমবেত নৃত্য। পাশাপাশি সুমনজিৎ চক্রবর্তীর একক নৃত্য পরিবেশন ছিল প্রশংসনীয়। সুব্রত মুখার্জী, পার্থ মুখার্জী ও সব্যসাচী মুখার্জীর যন্ত্রানুসঙ্গ সঙ্গীত গুলি কে এক অন্য মাত্রা প্রদান করে।

সংস্থার কর্ণধার সুদেষ্ণা বলেন, "২ নভেম্বর আমাদের কাছে বড় উত্সবের দিন। উত্সব নিয়ে রবি ঠাকুর অনেক কিছু লিখে গিয়েছেন।এই লেখাই আমাদের প্রতিটি মুহূর্তে অনুপ্রেরণা জোগায়।"

সুদেষ্ণা যোগ করেন, রবিঠাকুরের লেখা চিঠি, গান, কবিতা সব মিলিয়েই এই অনুষ্ঠিত হবে এই অনুষ্ঠান। প্রায় ৫২ জনকে দেখা গিয়েছে এই মঞ্চে।

ছাত্রছাত্রীরা ছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত অজন্তা হালদার,পাপড়ী চৌধুরী,সমতা আদিত্য চৌধুরী, ঊর্মিলা গুনিন,পৃথা মুখার্জী, শ্রাবণী মজুমদার, আদীপ্ত মুখার্জী, শুভদীপ রায়,করুণা সরকার, আত্রেয়ী সেন প্রমুখের একক সঙ্গীত পরিবেশনা বিশেষ প্রশংসার দাবি রাখে ।