কেন হর্ষ ছায়ার সঙ্গে বিয়ে ভেঙেছিল শেফালির, মুখ খুললেন অভিনেত্রী
অভিনেত্রী শেফালি শাহ স্বীকার করেছেন যে তাঁর প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের সময় যে চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হয়েছিলেন, সেগুলো এতটাই ভয়াবহ ছিল যে সম্পর্কের মধ্যে থাকার চেয়ে একা থাকার সিদ্ধান্তই তিনি নিয়েছিলেন।

অভিনেত্রী শেফালি শাহ স্বীকার করেছেন যে তাঁর প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের সময় যে চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হয়েছিলেন, সেগুলো এতটাই ভয়াবহ ছিল যে সম্পর্কের মধ্যে থাকার চেয়ে একা থাকার সিদ্ধান্তই তিনি নিয়েছিলেন।
একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে শেফালি স্মৃতিচারণ করেন এবং জীবনের নানা শিক্ষা তুলে ধরেন। জীবনের সেই অস্থির সময়ের দিকে ফিরে তাকিয়ে তিনি বলেন, “কেউ আমাকে বলেনি যে আমি নিজেই যথেষ্ট। সম্পূর্ণ হতে আমার স্বামী, বন্ধু, ভাই বা বোনের প্রয়োজন নেই। আমি নিজেই যথেষ্ট। তাই যদি ভালো সম্পর্ক থাকে, দারুণ। কিন্তু যদি না থাকে, সেটাই আমার মূল্য নির্ধারণ করে না, কেউ আমাকে এটা বলেনি। আর অবশ্যই, জীবনে নানা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গিয়ে আপনি নিজেই তা বুঝতে শেখেন। একটা সময় আসে যখন নিজের অস্তিত্বই প্রশ্নের মুখে পড়ে—থাকব নাকি ভেঙে পড়ব। তখনই সেই উপলব্ধি আসে। এটা হয়তো প্রতিদিনই ঘটছে, কিন্তু হঠাৎ এক মুহূর্তে আপনি বুঝতে পারেন, ‘ঠিক আছে, এটা আমাকে ধ্বংস করে দিতে পারে। আমি আর এটা করতে পারছি না।’”
তিনি আরও যোগ করেন, “আমার ক্ষেত্রে এই উপলব্ধি এসেছিল আমার প্রথম বিয়ের পর। এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু একবার আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘যদি তুমি আর কখনও ভালোবাসা না পাও, তা হলে কী করবে? সেই ঝুঁকি নেবে, নাকি থেকে যাবে?’ আমি বলেছিলাম, আমি ঝুঁকিটাই নেব। যদি আমাকে সারা জীবন একা থাকতে হয়, তা-ও আমি সেটাই বেছে নেব। এমন কোনও পরিস্থিতিতে আমি থাকতে পারি না, যা আমাকে আনন্দ, আত্মবিশ্বাস বা নিজের মূল্যবোধের অনুভূতি দেয় না। তখনই আমি বাড়ি ছেড়ে একা থাকার সিদ্ধান্ত নিই—যেখানে এর আগে আমি সবসময় বাবা-মায়ের সঙ্গেই থেকেছি। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনি কমই পরোয়া করতে শুরু করেন। সবাইকে খুশি করার চেষ্টা করতে করতে আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়েন। তখনই আমি এক ধরনের আত্মজ্ঞান লাভ করি এবং বুঝি—আমি পিত্জা নই যে সবাইকে সন্তুষ্ট করতে পারব।” শেফালি শাহ ২০০০ সালে একটি সাধারণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চলচ্চিত্র নির্মাতা বিপুল শাহকে বিয়ে করেন। তাঁদের দুই ছেলে—আর্যমান ও মৌর্য। এর আগে তিনি অভিনেতা হর্ষ ছায়ার সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন।
