AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

সুধা চন্দ্রন কেন অন্যকে ‘কামড়াতে’ গেলেন? এবার মুখ খুললেন অভিনেত্রী

অভিনেত্রী সুধা চন্দ্রন সম্প্রতি একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান থেকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর কারণে অনেককে চমকে দেন। ভিডিওগুলিতে দেখা যায়, আধ্যাত্মিক তন্ময়তার মধ্যে তিনি প্রবল আবেগে ভেসে যাচ্ছেন। এই ভিডিওগুলি ভাইরাল হওয়ার পর অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তিনি ট্রোলের শিকার হয়েছেন এবং অনেকেই ঘটনাটিকে নিছক অভিনয় বা নাটক বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে সুধা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি কাউকে কোনও ব্যাখ্যা দিতে বাধ্য নন।

সুধা চন্দ্রন কেন অন্যকে 'কামড়াতে' গেলেন? এবার মুখ খুললেন অভিনেত্রী
| Edited By: | Updated on: Jan 06, 2026 | 4:53 PM
Share

অভিনেত্রী সুধা চন্দ্রন সম্প্রতি একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান থেকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর কারণে অনেককে চমকে দেন। ভিডিওগুলিতে দেখা যায়, আধ্যাত্মিক তন্ময়তার মধ্যে তিনি প্রবল আবেগে ভেসে যাচ্ছেন। এই ভিডিওগুলি ভাইরাল হওয়ার পর অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তিনি ট্রোলের শিকার হয়েছেন এবং অনেকেই ঘটনাটিকে নিছক অভিনয় বা নাটক বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে সুধা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি কাউকে কোনও ব্যাখ্যা দিতে বাধ্য নন।

এই প্রসঙ্গে সুধা বলেন, “আমি এখানে নিজেকে জাস্টিফাই করতে আসিনি। জীবনের প্রতি আমার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি আছে। কিছু সম্পর্ক ও বিশ্বাস আছে, যেগুলোকে আমি সম্মান করি। মানুষের সঙ্গে আমার কিছু নেওয়া-দেওয়া নেই। যারা ট্রোল করে, ভালো কথা—তারা নিজেদের জীবনে সুখী থাকুক। কিন্তু লক্ষ লক্ষ মানুষ এর সঙ্গে সংযোগ অনুভব করতে পেরেছেন এবং একাত্ম হতে পেরেছেন, আমার কাছে সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।”

‘নাগিন’ খ্যাত এই অভিনেত্রী যোগ করেন, “আমার জীবনে আমি কখনও ভাবিনি—লোক কী বলবে। এমনকী আমার দুর্ঘটনার পরও অনেকে বলেছিল, আমি নাকি বোকামি করছি। কিন্তু যখন সেটাই একদিন সাফল্যের গল্প হয়ে ওঠে, তখন মানুষ শুধু সেই গল্প নিয়েই কথা বলে।”

চলতি সপ্তাহের শুরুতে সোশ্যাল মিডিয়ায় সুধার একাধিক ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত কয়েকজন তাঁকে থামানোর চেষ্টা করলেও, ভিডিওতে দেখা যায় তিনি তাঁদের কামড়াচ্ছেন। ক্লিপগুলিতে তাঁকে ভক্তিমূলক মুহূর্তে আধ্যাত্মিকভাবে আচ্ছন্ন বলে মনে হয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, সুধা হলঘরের ভিতর লাফাচ্ছেন এবং নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। তাঁর পরনে ছিল লাল-সাদা শাড়ি এবং কপালে ‘জয় মাতাদি’ লেখা একটি হেডব্যান্ড। ভজন চলাকালীন তিনি আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন এবং শরীরের নড়াচড়ার উপর নিয়ন্ত্রণ হারান।