AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

SIR: ঠিক কোন তথ্যে সমস্যা? কেন পাঠানো হল অমর্ত্য সেনকে নোটিস? কমিশন সূত্রে মিলল উত্তর

প্রসঙ্গেই তাঁর মুখে উঠে আসে ক্রিকেটার মহম্মদ সামিকে নোটিস পাঠানোর বিষয়টিও। পাশাপাশি নোটিস পাঠানো হয়েছে দেবকেও। তিনি বলেন, "মহম্মদ সামি, যিনি বিশ্বকাপ খেলে বিশ্বকাপ জিতে এনেছেন। তাঁকেও এসআইআর-এর নোটিস পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বাংলা সিনেমার উজ্জ্বল নক্ষত্র, তাঁকেও নোটিস দিয়েছে।"

SIR: ঠিক কোন তথ্যে সমস্যা? কেন পাঠানো হল অমর্ত্য সেনকে নোটিস? কমিশন সূত্রে মিলল উত্তর
অর্মত্য সেন, অর্থনীতিবীদImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 07, 2026 | 12:13 PM
Share

কলকাতা: নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনকে শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার বীরভূমের রামপুরহাটের সভা থেকে দাবি করেছেন তৃণমূলের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।  কমিশনের সূত্র বলছে, অমর্ত্যের পূরণ করা এসআইআর ফর্মে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি  অর্থাৎ তথ্যগত ভুল রয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, অমর্ত্য সেনের মায়ের সঙ্গে বয়েসের পার্থক্য ১৫ বছর। তাই ডাকা হয়েছে লজিকাল ডিস্ক্রিপেন্সি হিসাবে।

মঙ্গলবার বীরভূমের রামপুরহাট সভা ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মঞ্চে উঠে তিনি বলেছিলেন, ‘‘আসতে আসতে শুনছিলাম, অমর্ত্য সেনকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। ভারতের জন্য যিনি নোবেল পুরস্কার জিতে এনেছেন। দেশের নাম বিশ্বসভায় বিশ্ববন্দিত করেছেন। যাঁকে দেখে দেশকে মানুষ চেনেন, যাঁর হাত ধরে দেশ সমৃদ্ধ হয়েছে, তাঁকেই এসআইআরের নোটিস পাঠিয়েছে।’’ এরপরই তিনি বলেন, “হায় রে পোড়া কপাপ!”

উল্লেখ্য, বুধবার সকালেই বোলপুরের শান্তিনিকেতনে অমর্ত্য সেনের প্রতিচী বাড়িতে আসেন বিএলও শ্যামাব্রত মুখোপাধ্যায় । যদিও অমর্ত্য সেন বর্তমানে এই বাড়িতে নেই। এসআইআর-এর নোটিস দেওয়া হচ্ছে তাঁর বাড়িতে।

উল্লেখ্য, এ প্রসঙ্গেই তাঁর মুখে উঠে আসে ক্রিকেটার মহম্মদ সামিকে নোটিস পাঠানোর বিষয়টিও। পাশাপাশি নোটিস পাঠানো হয়েছে দেবকেও। তিনি বলেন, “মহম্মদ সামি, যিনি বিশ্বকাপ খেলে বিশ্বকাপ জিতে এনেছেন। তাঁকেও এসআইআর-এর নোটিস পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বাংলা সিনেমার উজ্জ্বল নক্ষত্র, তাঁকেও নোটিস দিয়েছে।” উল্লেখ্য, কেবল, দেবকেই নয়, তাঁর পরিবারের তিন সদস্যকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।

এই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে CEC- জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকে উত্থাপন করেছিলেন অভিষেক। বেরিয়ে এসে সাংবাদিক বৈঠকেও এই বিষয়টির ওপর জোর দেন। অভিষেকের কথায়, এর মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে ভোট চুরির যাবতীয় রহস্য।

এনুমারেশন ফর্মে দেওয়া তথ্যে সমস্যা রয়েছে, এই হেতু দেখিয়ে আবার ভোটারদের হিয়ারিংয়ের নোটিস পাঠানো হচ্ছে। প্রথম থেকেই অভিষেক অভিযোগ করেছিলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রায় ১ কোটি ৩৩ লক্ষ ভোটারের নাম ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’ বা তথ্যগত গরমিলের অজুহাতে সন্দেহজনক তালিকায় রেখেছে।