কিংপিন থেকে পড়ুয়া-অভিভাবক, কে নেই! NEET দুর্নীতিতে CBI চার্জশিট দেখলে চোখ কপালে উঠবে

NEET Scam: সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, চার্জশিটে নীতীশ কুমার ও অমিত আনন্দ নামক দুই যুবককে কিংপিন বলেই উল্লেখ করেছে তদন্তকারী সংস্থা। রয়েছে চার পরীক্ষার্থীর নামও। এছাড়া বিহারের দানাপুর টাউন কাউন্সিলের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার সিকন্দর যাদবেন্দ্রের নামও রয়েছে সিবিআই চার্জশিটে।

কিংপিন থেকে পড়ুয়া-অভিভাবক, কে নেই! NEET দুর্নীতিতে CBI চার্জশিট দেখলে চোখ কপালে উঠবে
ফাইল চিত্রImage Credit source: PTI

|

Aug 02, 2024 | 6:46 AM

নয়া দিল্লি: নিট দুর্নীতি (NEET Scam) মামলায় প্রথম চার্জশিট দিল সিবিআই (CBI)। চার্জশিটে মোট ১৩ জনের নাম রয়েছে। কে নেই সেই তালিকায়, দুর্নীতির কিংপিন থেকে শুরু করে নিট পরীক্ষার্থী, অভিভাবক-সকলেরই নাম রয়েছে। তদন্ত যেহেতু এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, তাই সিবিআই ফের সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দেবে বলেই জানিয়েছে।

গত জুন মাসেই দেশ জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল নিট-ইউজিসি দুর্নীতি নিয়ে। পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতেই ৬৭ জন টপারকে দেখেই প্রথম পরীক্ষায় বেনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এরপরই সামনে আসে প্রশ্নফাঁসের তথ্য। উঠে আসে সলভার গ্য়াং, যারা লক্ষাধিক টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন ফাঁস করত, এমনকী উত্তরও বলে দিত।

নিট নিয়ে বিতর্ক সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত পৌঁছতেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। এখনও পর্যন্ত এই দুর্নীতি মামলায় ৪০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্য়ে ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে বিহার পুলিশ। পুনরায় নিট পরীক্ষার দাবি তোলা হলেও, সম্প্রতিই সুপ্রিম কোর্টের রায়ে সাফ জানানো হয়, নিট-ইউজিসি পরীক্ষা ঘিরে বড়সড় বেনিয়মের খোঁজ মেলেনি। তাই পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন নেই।

সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, চার্জশিটে নীতীশ কুমার ও অমিত আনন্দ নামক দুই যুবককে কিংপিন বলেই উল্লেখ করেছে তদন্তকারী সংস্থা। রয়েছে চার পরীক্ষার্থীর নামও। এছাড়া বিহারের দানাপুর টাউন কাউন্সিলের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার সিকন্দর যাদবেন্দ্রের নামও রয়েছে সিবিআই চার্জশিটে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও বিশ্বাসভঙ্গের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

তদন্তে সিবিআই জানতে পেরেছে, পটনার বাসিন্দা নীতীশ কুমারই দুর্নীতির আসল কিংপিন। তাঁর সহকারী হিসাবে অমিত আনন্দ ও সিকন্দর কাজ করত। তারাই ৩০-৩২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও বিক্রি করে। নিট পরীক্ষার আগের রাতে প্রশ্নপত্র ফাঁস করা হয়েছিল। যে পড়ুয়ারা লক্ষাধিক টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র কিনেছিল, তাদের উত্তরও মুখস্থ করিয়ে দেওয়া হয়।

সিবিআইয়ের হাতে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ এসেছে। ফরেন্সিক টেকনিক, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, লোকেশন অ্যানালাইসিস ব্যবহার করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করে আদালতে পেশ করেছে সিবিআই।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us