
দেহরাদুন: ফের বিপদের মুখে কেদারনাথ। বুধবার উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথে নামল মেঘ ভাঙা বৃষ্টি। লাগাতার বৃষ্টিতে কার্যত ধুয়ে-মুছে গিয়েছে ৩০ মিটার দীর্ঘ রাস্তা। পাহাড়েও নেমেছে ধস। এর জেরে প্রায় ২০০-র কাছাকাছি পর্যটক কেদারনাথে আটকে পড়েছেন বলেই জানা গিয়েছে। এদিকে হু হু করে বাড়ছে মন্দাকিনী নদীর জলস্তর। ফলে বিপদের আশঙ্কা আরও বাড়ছে।
বুধবার প্রথমে উত্তরাখণ্ডের তেহরিতে মেঘ ভাঙা বৃষ্টির খবর মেলে। মুষলধারে ওই বৃষ্টিতে ধসে যায় একটি হোটেল। মৃত্যু হয় দুই পর্যটকের। নিখোঁজ আরও একজন। এর কিছুক্ষণ পরই কেদারনাথেও মেঘ ভাঙা বৃষ্টি নামার খবর মেলে।
২০১৩ সালে কেদারনাথের বিপর্যয় এই মেঘ ভাঙা বৃষ্টির কারণেই হয়েছিল। বুধবারও মেঘ ভাঙা বৃষ্টি নামতেই প্রশাসনের তরফে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়। ভারী বৃষ্টির জেরে ভিম্বলির কাছে পুণ্যার্থীরা আটকে পড়েছেন। তাদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যারা কেদারনাথের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন, তাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, আনুমানিক ১৪০ থেকে ১৬০ জন পুণ্যার্থী কেদারনাথের পথে আটকে থাকতে পারেন। তাদের দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
জানা গিয়েছে, মেঘ ভাঙা বৃষ্টির জেরে ভীম বালির কাছে ব্যাপক ধস নেমেছে। কেদারনাথ যাওয়ার পথ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ওই রুট। তবে মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে কেদারনাথে এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর মেলেনি।
এদিকে, বৃষ্টির জেরে বাড়ছে মন্দাকিনী নদীর জলস্তর। আপাতত কেদারনাথ মন্দির বন্ধ রাখা হয়েছে। খালি করে দেওয়া হয়েছে সোনপ্রয়াগের পার্কিংও, যা ঠিক মন্দাকিনীর পাশেই অবস্থিত।