AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Supreme Court on WhatsApp Data: ‘…যদি না পারেন, ভারত ছেড়ে চলে যান’, WhatsApp-কে তীব্র ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

WhatsApp Data Privacy: হোয়াটসঅ্যাপ ও মেটা-র নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে শীর্ষ আদালত বলে, "যদি একজন গরিব মহিলা বা রাস্তার ধারের কোনও বিক্রেতা কিংবা এমন একজন ব্যক্তি যিনি শুধু তামিল বোঝেন, তারা কি এই নীতি বুঝতে পারবেন? কখনও কখনও আমাদেরও সমস্যা হয় আপনাদের নীতি বুঝতে... বিহারের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ কীভাবে বুঝবেন?"

Supreme Court on WhatsApp Data: '...যদি না পারেন, ভারত ছেড়ে চলে যান', WhatsApp-কে তীব্র ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের
প্রতীকী চিত্র।Image Credit: X
| Updated on: Feb 03, 2026 | 2:15 PM
Share

নয়া দিল্লি: ‘…ভারত ছেড়ে চলে যান’- হোয়াটস্অ্যাপ (WhatsApp) ও তার মালিক সংস্থা মেটা (Meta)-কে কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট। সঙ্গে কড়া সতর্কতাও দেওয়া হল। হোয়াটসঅ্যাপের ডেটা শেয়ারিং ও প্রাইভেসি পলিসি বা গোপনীয়তার নীতি নিয়েই যাবতীয় সমস্যা। সুপ্রিম কোর্টের তরফে মেটা সংস্থাকে কড়া ভাষায় বলা হয়, ব্যবহারকারীদের তথ্য বাণিজ্যিক উদ্দেশে ব্যবহার করা যায় না।

এ দিন, (৩ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত মার্কিন সংস্থাকে সতর্ক করে বলেন, “আমাদের দেশের গোপনীয়তা নিয়ে খেলা করতে পারেন না, আমরা নিজেদের তথ্যের একটা ডিজিটও শেয়ার করতে দেব না।”

শীর্ষ আদালতের তরফে এ দিন হোয়াটসঅ্যাপ ও মেটা-কে ডেটা প্রাইভেসি, বিহেভিওরাল অ্যানালাইসিস এবং ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন অ্যাক্ট নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। অন্তর্বর্তী পদক্ষেপ হিসাবে সুপ্রিম কোর্ট হোয়াটসঅ্যাপকে ব্যবহারকারীদের কোনও তথ্য মেটার সঙ্গে ভাগ করতে বারণ করেছে। যতক্ষণ পর্যন্ত এই মামলার পুরো শুনানি হচ্ছে না, ততদিন পর্যন্ত তথ্য় শেয়ার করতে পারবে  না হোয়াটসঅ্যাপ।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের হোয়াটসঅ্যাপের প্রাইভেসি পলিসি নিয়ে মামলার শুনানি চলছিল। কম্পিটিশন কমিশন অব ইন্ডিয়া ২১৩ কোটি টাকা জরিমানা করেছিল, সেই জরিমানাও আটকে রেখেছে কোম্পানি ল ট্রাইবুনাল। কম্পিটিশন কমিশন অব ইন্ডিয়া পাল্টা আবেদন করে জানিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ তার ব্যবহারকারীদের তথ্য বিজ্ঞাপনের জন্য ব্যবহার করছে, যা ক্ষমতার অপব্যবহার।

সরকারের তরফে হাজির সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা হোয়াটসঅ্যাপের এই নীতিকে শোষণমূলক (exploitative) বলেই উল্লেখ করেন। এরপরই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “যদি আমাদের সংবিধান অনুসরণ করতে না পারেন, তাহলে ভারত ছেড়ে চলে যান। আমাদের নাগরিকদের গোপনীয়তা কোনওভাবে আপোস করতে পারব না।”

হোয়াটসঅ্যাপ ও মেটা-র নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে শীর্ষ আদালত বলে, “যদি একজন গরিব মহিলা বা রাস্তার ধারের কোনও বিক্রেতা কিংবা এমন একজন ব্যক্তি যিনি শুধু তামিল বোঝেন, তারা কি এই নীতি বুঝতে পারবেন? কখনও কখনও আমাদেরও সমস্যা হয় আপনাদের নীতি বুঝতে… বিহারের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ কীভাবে বুঝবেন? এটা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি। আমরা এটা অ্যালাও করব না।”

প্রধান বিচারপতি এই বিষয়ে নিজের অভিজ্ঞতাও ভাগ করেন। বলেন, “যদি হোয়াটসঅ্যাপে একজন চিকিৎসককে মেসেজ পাঠানো হয় যে আপনার সর্দি-কাশি হয়েছে এবং চিকিৎসক আপনাকে কিছু ওষুধ প্রেসক্রাইব করেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আপনি ওই ওষুধের বিজ্ঞাপন দেখতে শুরু করেন।”

অন্যদিকে, মেটা ও হোয়াটসঅ্যাপের তরফে হাজির আইনজাবী মুকুল রোহতগি ও অখিল সিব্বল বলেন যে হোয়াটসঅ্যাপে সব মেসেজ ‘এন্ড টু এন্ড এনক্রিপ্টেড’ (end-to-end encrypted)। কোম্পানিও এই তথ্য বা মেসেজ দেখতে পায় না।