
নয়া দিল্লি: সংসদের সামনে হইহই কাণ্ড। পার্লামেন্টের মূল প্রবেশ দ্বারের সামনে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা এক ব্যক্তির। সঙ্গে-সঙ্গে ছুটে আসেন পথচারীরা। তাঁরা এসে উদ্ধার করেন ওই ব্যক্তিকে। কিন্তু কেন তিনি এমন ঘটনা ঘটালেন তা এখনও জানা যায়নি। বস্তুত, প্রসঙ্গত, ২০০১ সালে ১৩ ডিসেম্বর পাঁচ জঙ্গি অতর্কিতে হামলা চালিয়েছিল সংসদ ভবনের কমপ্লেক্সে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নকল স্টিকার লাগিয়ে অ্যাম্বাসেডর গাড়িটি সংসদ ভবন চত্বরে প্রবেশ করেছিল। তৎকালীন উপরাষ্ট্রপতি কৃষ্ণ কান্তের গাড়িতে আঘাত করেছিল তারা। সেই ঘটনার ২৩ বছর পর ফের ডিসেম্বরেই সংসদ ভবনের সামনে এভাবে আগুন লাগানোর ঘটনা রীতিমতো চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।
পার্লামেন্টের সামনের মূল গেটটি সর্বক্ষণই বন্ধ থাকে। হঠাৎ করেই উল্টো দিকের পার্ক থেকে এক ব্যক্তি আগুন গায়ে গড়িয়ে এসে মূল রাস্তার উপর পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, ওই ব্যক্তি নিজেই নিজের শরীরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিলেন। হকচকিত অবস্থায় পুলিশ কর্মীরা ছুটে আসেন। স্তম্ভিত হয়ে যান সেখানে উপস্থিত মানুষজনও। ছুটে আসেন তাঁরা। যার-যার কাছে যা ছিল তা দিয়েই আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন তাঁরা। দ্রুত ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ব্যক্তি উত্তরপ্রদেশের বাঘপতের বাসিন্দা। তাঁর কাছ থেকেই উদ্ধার হয়েছে কাগজ। তিনি কিছু পোস্টার লিখে নিয়ে এসেছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে। তবে ঠিক কেন তিনি এমন ঘটনা ঘটালেন তা জানার চেষ্টা চালচ্ছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, এর আগেও এই সংসদ ভবনের সামনে আত্মহত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়ে পার্লামেন্টের সামনে নিজের শরীরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। সেই সময়ও সংসদ ভবনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীরা এসে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে। পরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুধু তাই নয়,