দিল্লিতে সপ্তাহ শেষে কার্ফু জারি, বন্ধ থাকবে শপিং মল, জিম, স্পা

সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী কেজরীবাল জানান, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সপ্তহ শেষে কার্ফু জারি করা হচ্ছে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সমস্ত জরুরি পরিষেবাগুলি চালু থাকবে।

  • TV9 Bangla
  • Published On - 14:03 PM, 15 Apr 2021
দিল্লিতে সপ্তাহ শেষে কার্ফু জারি, বন্ধ থাকবে শপিং মল, জিম, স্পা
ফাইল চিত্র

নয়া দিল্লি: করোনা সংক্রমণ রুখতে মহারাষ্ট্রের পথেই হাটল কেজরীবালের সরকার। সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে এ বার সপ্তাহন্তে কার্ফু (Weekend Curfew) জারি হল দিল্লিতে। আগামী ১৬ তারিখ থেকে সপ্তাহ শেষে জন্য বন্ধ থাকবে স্পা, জিম, অডিটোরিয়াম ও শপিং মল। সিনেমা হল কেবল এক তৃতীয়াংশ দর্শক নিয়ে পরিচালিত হবে। রেস্তরাঁয় বসে খাওয়াতেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ওই দিনগুলিতে কেবল হোম ডেলিভারির সুবিধা পাওয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার সকালেই জানা যায় যে, রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে লেফটেন্যান্ট গভর্নর অনিল বৈজলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল। সেই বৈঠক শেষ করেই তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন ও অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

এ দিন বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী কেজরীবাল জানান, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সপ্তাহ শেষে কার্ফু জারি করা হচ্ছে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সমস্ত জরুরি পরিষেবাগুলি চালু থাকবে। আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে এই নয়া নির্দেশিকা জারি হবে। প্রতি সপ্তাহে শুক্রবার রাত ১০টা থেকে সোমবার ভোর ৬টা অবধি কার্ফু জারি থাকবে।

কার্ফুর নিয়মবিধি-

সপ্তাহ শেষে কার্ফুতে একমাত্র জরুরি পরিষেবাগুলিই চালু থাকবে।

আন্তঃরাজ্য চলাচলে কোনও প্রকার বিধিনিষেধ থাকবে না।

রাজ্যের সমস্ত শপিং মল, স্পা, জিম ও অডিটোরিয়াম এই সময়ে বন্ধ থাকবে। তবে এক তৃতীয়াংশ দর্শক নিয়ে খোলা থাকবে সিনেমা হল।

রেস্তরাঁয় বসে খাওয়া নিষিদ্ধ। কেবল হোম ডেলিভারির সুবিধা পাওয়া যাবে।

বেসরকারি অফিসগুলিকে কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজের নির্দেশ দিতে বলা হয়েছে।

প্রতিটি অঞ্চল অনুযায়ী সপ্তাহে একদিন বাজার খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হবে।

বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে কার্ফু পাস থাকলে তবেই যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হবে। তবে নির্দিষ্ট করে দেওয়া আমন্ত্রিতের সংখ্যা পার করা যাবে না।

বুধবার দিল্লিতে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ হাজার ২৮২ জন। ১০০ জনেরও বেশি করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে দিল্লির সংক্রমণের হার ১৬ শতাংশ, যা সোমবারই ছিল ১২.৪ শতাংশ।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, দিল্লি সরকারের লক্ষ্য হল সকলের কাছে চিকিৎসা পরিষেবা পৌছে দেওয়া। বর্তমানে রাজ্যে পাঁচ হাজারেরও বেশি বেড খালি রয়েছে। আগামিদিনে আরও কোভিড চিকিৎসা কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হবে।

 

আরও পড়ুন: দমবন্ধ হয়ে ছটফট করছেন করোনা রোগী, তবুও দেওয়া হল না অক্সিজেন! সিসিটিভিতে ধরা পড়ল নির্মম চিত্র