কলকাতা: বিদ্যাপতি সেতুতে দুই বাসের রেষারেষি। ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল তিন। দুর্ঘটনাস্থলে এসেছেন পুলিশের উচ্চ-পদস্থ কর্তা তথা অ্যাডিশনাল সিপি ১ হরিকিশোর পুস্পকর। তিনি সাংবাদিকদের সামনে বলেন, ‘ঠাকুর দেখতে যাচ্ছিলেন। ওঁরা রাস্তার পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন। বাস খুব গতিতে ছিল না। তবে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিল। তারপরই একের পর এক ধাক্কা মারে। গতকাল রাত্রিবেলাই একজন মারা গিয়েছে। আজ সকালে আরও দু’জনের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। ঘাতক বাসটিতে যাত্রী ছিল।’
প্রসঙ্গত, গতকাল রাত দেড়টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রচুর মানুষ দশমীর দিন ঠাকুর দেখতে বের হন। সেই সময় বিদ্যাপতি সেতু দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন প্রতিমা দর্শনের জন্য কয়েকজন দর্শনার্থী।
তখন একই রুটের দু’টি বাসের মধ্যে রেষারেষি চলছিল বলে খবর। সেই সময় একটি বাস একের পর এক ধাক্কা মারে পথচারীদের। যার জেরে গুরুতর আহত হন একই পরিবারের বেশ কয়েকজন। তাঁদের উদ্ধার করে এনআরএস (NRS) নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে রাত্রি দেড়টা নাগাদ মৃত্যু হয় এক যুবতীর। এরপর আজ সকালে আরও দুজনের মৃত্যু খবর সামনে আসে।
মৃতের নাম অদিতি গুপ্ত (১৮),রাহুল কুমার প্রসাদ (৩০) ও নন্দিনী প্রসাদ (২৩)। আহতরা হলেন নীলেশ গুপ্ত (১৬), ঋষি গুপ্ত (১৫), রোহিত গুপ্ত (18) প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তাঁদের। অপরদিকে এই ঘটনায় আটক করা হয়েছে ঘাতক বাসটিকে। গ্রেফতার করা হয়েছে দু’জনকে।