Madhyamik 2026: ‘স্যরের সাজা পাওয়ার জায়গা আছে’, গার্ড দিতে এসে জীবন বিজ্ঞানের পরীক্ষায় শিক্ষকের নজিরবিহীন কাজ, এবারের মাধ্যমিকে নজিরবিহীনভাবে হুলুস্থুল কাণ্ড
Madhyamik 2026: ঘটনাক্রম যদি বলা হয়, তা যথেষ্টই নাটকীয়। ওই শিক্ষকের যেখানে গার্ড দেওয়ার কথা ছিল, তিনি সেখানে গার্ড না দিয়ে, চলে যান পাশের রুমে। অভিযোগ, সেখানে গিয়ে তিনি টেবিলের ওপর থেকে একটি লুজ় শিট হাতে তুলে নেন। তারপর প্রশ্ন দেখে সেখানে উত্তরগুলোও লিখে ফেলেন। তাঁর বিষয়েরই পরীক্ষা ছিল। ফলে দ্রুত উত্তর লিখে ফেলেন।

কলকাতা: মাধ্যমিক পরীক্ষায় হুলুস্থুল কাণ্ড! পরীক্ষা চলাকালীন অন্য রুমে গিয়ে পড়ুয়াদের উত্তর বলে দিচ্ছেন স্যর! শুধু তাই নয়, আরও ভয়ঙ্কর অভিযোগ, সাদা খাতায় উত্তর লিখে তা জোরে জোরে পড়তে শুরু করেন স্যর। মালদহের একটি স্কুলে এরকমই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় কড়া পর্ষদ। ঘটনায় মালদহের মথুরাপুর বিএসএস স্কুলের শিক্ষক সনওয়ার আলি পরভেজকে সাসপেন্ড করেছে পর্ষদ। একই রকম অভিযোগে আরও ৮ জনকে সাসপেন্ড করেছে পর্ষদ। মাধ্যমিক শুরু হওয়ার পর মোট ৯ জন শিক্ষক সাসপেন্ড হলেন। পর্ষদের বক্তব্য, পড়ুয়ার পরীক্ষা বাতিল যদি করার বিধান থাকে, স্যরের সাজা পাওয়ার জায়গা আছে।
ঘটনাক্রম যদি বলা হয়, তা যথেষ্টই নাটকীয়। ওই শিক্ষকের যেখানে গার্ড দেওয়ার কথা ছিল, তিনি সেখানে গার্ড না দিয়ে, চলে যান পাশের রুমে। অভিযোগ, সেখানে গিয়ে তিনি টেবিলের ওপর থেকে একটি লুজ় শিট হাতে তুলে নেন। তারপর প্রশ্ন দেখে সেখানে উত্তরগুলোও লিখে ফেলেন। তাঁর বিষয়েরই পরীক্ষা ছিল। ফলে দ্রুত উত্তর লিখে ফেলেন। এরপর, সেই শিট দেখে পাখি পড়ানোর মতো পরীক্ষার্থীদের পড়াতে শুরু করেন। অভিযোগ, তিনি প্রশ্ন ধরে ধরে উত্তর বলে দিতে থাকেন। এই ভাবেই চলছিল গোটা পরীক্ষা।
গোটা বিষয়টির ছবি-ভিডিয়ো করেন স্কুলেরই কেউ একজন। সেটি পর্ষদের কাছে পৌঁছয়। পর্ষদের কাছে পৌঁছতেই কড়া পদক্ষেপ। ওই শিক্ষককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই একই রকম অভিযোগ উঠেছে আরও ৮ শিক্ষকের বিরুদ্ধে। তাঁদেরকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে।
