Abhishek Banerjee: শর্তসাপেক্ষে আগেই মিলেছিল অনুমতি, তিন সপ্তাহের জন্য বিদেশযাত্রা অভিষেকের
Abhishek Banerjee Eye Treatment: সম্প্রতি, দেশের সর্বোচ্চ আদালত একাধিক শর্ত আরোপ করে বিদেশযাত্রায় অনুমতি দিয়েছে। মাঝে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হওয়ায় বিদেশযাত্রায় জটিলতা তৈরি হয়েছিল। পরে আদালতের হস্তক্ষেপে সেই 'বাধা' বৃহস্পতিবাদ বিদেশে গেলেন অভিষেক। জানা গিয়েছে, তিন সপ্তাহের জন্য বিদেশে পাড়ি দিয়েছেন তিনি।

কলকাতা: চোখের চিকিৎসার জন্য অবশেষে বিদেশ পাড়ি দিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদেশযাত্রায় অনুমতি চেয়ে প্রথমে হাইকোর্টে মামলা। তারপর সুপ্রিম কোর্টে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি, দেশের সর্বোচ্চ আদালত একাধিক শর্ত আরোপ করে বিদেশযাত্রায় অনুমতি দিয়েছে। মাঝে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হওয়ায় বিদেশযাত্রায় জটিলতা তৈরি হয়েছিল। পরে আদালতের হস্তক্ষেপে সেই ‘বাধা’ বৃহস্পতিবাদ বিদেশে গেলেন অভিষেক।
তিন সপ্তাহের জন্য বিদেশযাত্রা অভিষেকের
জানা গিয়েছে, তিন সপ্তাহের জন্য বিদেশে পাড়ি দিয়েছেন তিনি। বুধবারই দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। তারপর আজ সেখান থেকে সোজা বিদেশের উদ্দেশে রওনা দেন। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই খবর রটে যে ২০টি ব্যাগ নিয়ে বিদেশে পাড়ি দেন অভিষেক। এই নিয়ে হইচই পড়ে যায় সব মহলে। যদিও পরে জানা যায় বিদেশেই যাননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
অভিষেকের বিদেশযাত্রার মামলা
চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, বিদেশ যাওয়ার আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। এরপর গত ২০ জুলাই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য অভিষেককে বলেছিলেন, “আপনার চোখের চিকিৎসা কলকাতার হাসপাতালে করা হয়নি। আদালত আপনাকে তখনই যেতে দিতে পারে, যদি এখানে এই চিকিৎসা না করা যায়।” কখনও SSKM-এ গিয়েছিলেন কি না, সে প্রশ্নও তুলেছিল আদালত।
এরপর সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে অভিষেক পৌঁছে যান সুপ্রিম কোর্টে। অভিষেকের আইনজীবী জানান, ডিজে মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে তদন্তে সহযোগিতা করেছেন তিনি। কণ্ঠস্বরের নমুনাও দিয়েছেন। এরপরও তাঁকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। তবে সেই সময় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ মামলা খারিজ করে ফের কলকাতা হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয়।
সুপ্রিম কোর্টের অনেক বিচারপতি দেশেই চিকিৎসা করান,এ কথা উল্লেখ করে SSKM-এ যাওয়ার পরামর্শ দেন হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য একক বেঞ্চ। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন, “যে কোনও নাগরিক যে কোনও জায়গায় চিকিৎসার জন্য যেতে পারেন। কিন্তু এক্ষেত্রে একাধিক মামলা রয়েছে। যার মধ্যে তিনটে মামলা বিচারাধীন এবং তদন্ত চলছে। তাই আদালত এবিষয়ে এসএসকেএম-র পরামর্শ চেয়েছিল।” এরপর আবার দ্বারস্থ হন সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ তাঁকে গ্রিন সিগন্যাল দিল বিদেশ যাত্রায়।
শর্তসাপেক্ষেই যাত্রায় অনুমতি দেওয়া হয়। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের নির্দেশ, “কোথায় কবে যাচ্ছেন, কবে ফিরছেন, ফ্লাইট সংক্রান্ত তথ্য, বিদেশে কোথায় থাকবেন, কোথায় চিকিৎসা করাবেন সব তথ্য তদন্তকারী এজেন্সিকে জানাতে হবে। এই যাবতীয় তথ্য তদন্তকারী এজেন্সি গোপন রাখবে।”
