AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

High Court: শাহের মন্ত্রকে আবেদন করতে হবে হুমায়ুনকে, হাইকোর্টে গিয়েও লাভ হল না

Murshidabad: গত শনিবার বিক্ষোভস্থলে যান হুমায়ুন কবীর। সেখানে গিয়ে তাঁকেই বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। কোনও ক্রমে সেখান থেকে বেরিয়ে যান তিনি। এর আগে ব্রিগেড পরিদর্শনে গিয়েও একইভাবে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। তৃণমূলকর্মীরা সেখানে তাঁকে ঘিরে 'গো ব্যাক' স্লোগান দিতে থাকেন। এই সব ঘটনার কথা জানিয়েই আদালতে নিরাপত্তার আবেদন করেছিলেন হুমায়ুন।

High Court: শাহের মন্ত্রকে আবেদন করতে হবে হুমায়ুনকে, হাইকোর্টে গিয়েও লাভ হল না
| Edited By: | Updated on: Jan 19, 2026 | 1:19 PM
Share

কলকাতা: বেলডাঙার ঘটনার পর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। জেড প্লাস নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে আদালতে গিয়েছেন হুমায়ুন। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার তাঁকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। প্রাণের ঝুঁকি রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। আজ, সোমবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের বেঞ্চে ছিল মামলার শুনানি। বিচারপতি তাঁকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে আবেদন করতে বলেছেন।

সম্প্রতি ভিনরাজ্যে এক বাঙালি শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। গত শনিবার বিক্ষোভস্থলে যান হুমায়ুন কবীর। সেখানে গিয়ে তাঁকেই বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। কোনও ক্রমে সেখান থেকে বেরিয়ে যান তিনি। এর আগে ব্রিগেড পরিদর্শনে গিয়েও একইভাবে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। তৃণমূলকর্মীরা সেখানে তাঁকে ঘিরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে থাকেন। এই সব ঘটনার কথা জানিয়েই আদালতে নিরাপত্তার আবেদন করেছিলেন হুমায়ুন।

‘আপাতত কিছু দিনের জন্য নিরাপত্তা দেওয়া হোক’, এই আর্জি জানিয়েছেন বিধায়ক। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ বলেছেন, যারা নিরাপত্তা দেবে, তারাই ঠিক করবে ‘থ্রেট’ কতটা। তারপরই সিদ্ধান্ত নেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। তাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে আবেদন জানানোর কথা বলেছেন বিচারপতি।

হুমায়ুনের আইনজীবীর বক্তব্য ছিল যতদিন পর্যন্ত না আবেদন গৃহীত হচ্ছে, ততদিন নিরাপত্তা দেওয়া হোক। সেই আর্জিতে সাড়া দেয়নি আদালত।

নতুন দল গঠনের পর হুমায়ুন ব্রিগেডে একটি সভা করার কথা বলেছেন। অনুমতি নিতেও গিয়েছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত তিনি অনুমতি পাননি বলেই জানিয়েছেন। মুর্শিদাবাদেই সভা করবেন হুমায়ুন কবীর।