AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

ছাত্র-যুবদের সামনের সারিতে আনছে সিপিএম, টিকিট পেতে পারেন তারকারাও

নবান্ন অভিযানের পর বেশ চাঙ্গা দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। মিছিলে বড় কোনও নেতার উপস্থিতি ছাড়াই যেভাবে রাষ্ট্রশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার মানসিকতা তরুণ ব্রিগেড দেখিয়েছে, তাতে উজ্জীবিত বাম শিবির।

ছাত্র-যুবদের সামনের সারিতে আনছে সিপিএম, টিকিট পেতে পারেন তারকারাও
ফাইল ছবি
| Updated on: Feb 18, 2021 | 1:13 AM
Share

প্রদীপ্তকান্তি ঘোষ

পাকা চুলের জমানা শেষ। এ বার কালো চুলের উপরই ভরসা রাখতে চাইতে সিপিএম। আর সেই সঙ্গে সাযুজ্য রেখেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কমপক্ষে ৬০-৬৫ শতাংশ আসনে তরুণ যুবক-যুবতীদের প্রার্থী করতে চাইছে রাজ্য বাম নেতৃত্ব। সেই তালিকায় যেমন বাম ছাত্র-যুব সংগঠনের সদস্যরা থাকবেন। তেমনই তরুণ ছাত্র-ছাত্রদেরও সুযোগ দেওয়া হবে নির্বাচনে লড়ার। এমনকি, বেশ কিছু তারকারাও টিকিট পেতে পারেন।

নবান্ন অভিযানের পর বেশ চাঙ্গা দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। মিছিলে বড় কোনও নেতার উপস্থিতি ছাড়াই যেভাবে রাষ্ট্রশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার মানসিকতা তরুণ ব্রিগেড দেখিয়েছে, তাতে উজ্জীবিত বাম শিবির। ফলে কম বয়সীদের সামনে আনার দীর্ঘ দিনের দাবি আরও জোরালো হয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী নির্বাচনে কারা টিকিট পেতে চলেছেন তাঁদের তালিকা ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গিয়েছে। যেখানে শতরূপ ঘোষ, সায়নদীপ মিত্র, মধুজা সেন রায়, সৃজন ভট্টাচার্য, মীনাক্ষী মুখার্জি, প্রতিকূর রহমান, মমতা সেনগুপ্ত, কৌস্তভ চ্যাটার্জি-সহ আরও অনেক একঝাঁক নতুন নেতাদের নাম থাকতে পারে বলে খবর সূত্রের।

এ ছাড়াও বেশ কিছু তারকা মুখ রয়েছেন যাদের টিকিট দেওয়া হতে পারে বলে জল্পনা। সেই তালিকায় রয়েছে অভিনেতা বাদশা মৈত্র, সৌরভ পালোধী, দেবদূত ঘোষদের নাম। বিস্তর চর্চা হচ্ছে শ্রীলেখা মিত্র, রাহুল চক্রবর্তীর নাম নিয়েও।

তালিকা বাছাইয়ে গুরুত্ব পেয়েছে যুব নেতাদের ভাবমূর্তি, দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ। সেই সঙ্গে কে কতটা লড়াকু ও মাটি আঁকড়ে থাকার মনোভাব রয়েছে সেটাও দেখা হচ্ছে। প্রত্যাশিতভাবেই বাড়তি তাতে সংযোজন হয়েছে ১১ ফেব্রুয়ারির নবান্ন অভিযান। শ্রমজীবী ক্যান্টিন পরিচালনায় ছাত্র-যুব সংগঠনের ভূমিকাও ছিল চোখে পড়ার মতো।

আরও পড়ুন: অনিশ্চিত রাহুল, ব্রিগেডে বুদ্ধ?

গত প্রায় এক বছর ধরে করোনার আবহের কারণে অনেকটাই বেশি বাড়তি সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়েছিল প্রবীণদের। ফলে তাঁদের জনসংযোগ কিছুটা ছেদ পড়েছিল। তা যেমন তরুণ প্রজন্মের মধ্যে থেকে বিপুল সংখ্যায় প্রাথী বাছাইয়ের কারণ, তেমনই আমজনতা পুরোনো মুখের পরিবর্তে নতুন ঝকঝকে মুখ খুঁজছে। যাঁদের সঙ্গে আধুনিকতার সম্পর্ক আষ্টেপৃষ্ঠে রয়েছে। দুই মিলিয়ে নবীন প্রজন্মকে সামনে রেখেই বিজেপি ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চান সিপিএম নেতৃত্ব।