Gangasagar: আর ডুবুরী নয়, কেউ ডুবে গেলে এভাবে উদ্ধার করা হবে গঙ্গাসাগরে
Kolkata: মকর সংক্রান্তিতে গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নান উপলক্ষে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয়। আর এত বিপুল সংখ্যক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রতি বছরই প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। তবে, এ বছর সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এক অভিনব প্রযুক্তিগত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কলকাতা: ৮ই জানুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে গঙ্গাসাগর মেলা। ইতিমধ্যেই সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার তদারকি করে গিয়েছেন। আর এবার গঙ্গাসাগর মেলায় প্রথমবার ব্যবহার করা হবে অবিশ্বাস্য প্রযুক্তি। নাম ‘ওয়াটার রেসকিউ’ ড্রোন। এই ড্রোন ডুবন্ত পুণ্যার্থীদের জন্য চমৎকার রক্ষাকবচ হতে চলেছে বলছেন সকলে।
মকর সংক্রান্তিতে গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নান উপলক্ষে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয়। আর এত বিপুল সংখ্যক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রতি বছরই প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। তবে, এ বছর সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এক অভিনব প্রযুক্তিগত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রথমবারের মতো গঙ্গাসাগরে পরীক্ষামূলকভাবে মোতায়েন করা হয়েছে ‘ওয়াটার রেসকিউ ড্রোন’, যা ডুবন্ত পুণ্যার্থীদের উদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
কীভাবে কাজ করবে এই ড্রোন?
যদিও, এই-এই বিশেষ ড্রোনটি জলে ডুবে যেতে থাকা কোনও ব্যক্তিকে দ্রুত শনাক্ত করতে পারে এবং মুহূর্তের মধ্যেই তার কাছে পৌঁছে যায়। ড্রোনে সংযুক্ত আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ডুবন্ত ব্যক্তিকে পানি থেকে তুলে আনার ব্যবস্থাও রয়েছে। এতদিন লাইফগার্ড, নৌকা ও ডুবুরি দলের উপর নির্ভরশীল উদ্ধার ব্যবস্থায় এই ড্রোন যুক্ত হওয়ায় উদ্ধারকাজ আরও দ্রুত ও কার্যকর হবে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের উদ্যোগে এই অভিনব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক অরবিন্দ মীণা জানান, আপাতত ড্রোনটি ট্রায়াল রান পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, “পুরোপুরি চালু হয়ে গেলে গঙ্গাসাগরে স্নানের সময় পুণ্যার্থীদের জন্য এটি একেবারে চমৎকার রক্ষাকবচ হয়ে উঠবে।”
প্রশাসনের ধারণা, প্রবল স্রোত ও ভিড়ের মাঝেও এই আধুনিক প্রযুক্তি বহু অমূল্য প্রাণ বাঁচাতে সক্ষম হবে। গঙ্গাসাগরে ওয়াটার রেসকিউ ড্রোনের এই উদ্যোগ আস্থা ও আধুনিক প্রযুক্তির সফল সমন্বয়ের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠছে।
