Pratikur Rahman: কতটা কষ্টে ছিলেন প্রতীক-উর? কী বললেন সিপিএমের যুবনেত্রী?
CPIM: এদিকে আবার সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্ত বলছেন, “যাদের জল্পনা করার তাঁরা জল্পনা করুক। কেউ দল ছেড়ে কোথাও যায়নি। এ বিষয়ে যা বলার মহম্মদ সেলিম বলবে। আমরা দলের অভ্যন্তরে আলোচনা করাতেই বিশ্বাসী।” তবে কলকাতান যাই বলুন, দলের অন্দরে যে প্রতীক-উর নিয়ে পুরোদমে চর্চা চলছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

কলকাতা: জোট নিয়ে এখনও কোনও পাকা সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি বামেরা, তার মধ্যেই অস্বস্তিটা যেন আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিলেন এক সময়ের দলের ‘প্রিয় কমরেড’ প্রতীক-উর রহমান। গত লোকসভা ভোটে তাঁকেই শেষ লোকসভা ভোটে ডায়মন্ড-হারবারে লড়তে পাঠিয়েছিল সিপিএম। তাও আবার তৃণমূল সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। শোনা যাচ্ছে চলতি সপ্তাহেই সেই অভিষেকের হাত ধরেই তৃণমূলে যোগদান করতে পারেন প্রাক্তন এসএফআই নেতা। ইতিমধ্যেই আবার মগরাহাটে তাঁর ভোটে দাঁড়ানো নিয়েও তুমুল জল্পনা চলছে।
এদিকে আবার সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্ত বলছেন, “যাদের জল্পনা করার তাঁরা জল্পনা করুক। কেউ দল ছেড়ে কোথাও যায়নি। এ বিষয়ে যা বলার মহম্মদ সেলিম বলবে। আমরা দলের অভ্যন্তরে আলোচনা করাতেই বিশ্বাসী।” কলকাতান যাই বলুন, দলের অন্দরে যে প্রতীক-উর নিয়ে পুরোদমে চর্চা চলছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের বেশ কিছু ভাবনা ও কর্মপদ্ধতির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারছেন না। মানসিক দ্বন্দ্বে ছিলেন। রাজ্য সম্পাদককে লেখা প্রতীক উরের এই লাইনটাই যেন সব থেকে বেশি ভাবাচ্ছে তাঁর সহযোদ্ধাদের। ক্যামেরার সামনে মুখে যদিও সবারই কুলুপ। সকলের একটাই কথা, যা বলার পার্টি বলবে। তবে কেউ যে একদমই কথা বলছেন না তা নয়।
নাম না করে সিপিএমের এক যুব নেত্রী বলছেন, দলের মূল সমস্যা হয়ে দাঁড়াচ্ছে কে কোন আসনে লড়বেন এ বিষয়ে দলের কোনও আগাম পরিকল্পনা থাকছে না। ফলে নির্বাচনের সময়ে বা নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রার্থীকে এলাকা চিনতেই অনেক সময় ব্যয় করতে হচ্ছে। ফলে ভোটের ময়দানে তাঁরা পিছিয়ে পড়ছেন। দলের এ হেন অবস্থান দীর্ঘদিন ধরেই অনেককে কষ্ট দিচ্ছে। আমার ধারনা প্রতীকূরও এর থেকে বাদ নয়।
ঠিক দু’দিন পরেই সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠক। এখন সেখানে প্রতীক-উর ইস্যুতে নতুন করে কোনও আলো পড়ে কিনা, নাকি জল্পনাই দিনের শেষে সত্যি হয় সেদিকে অবশ্যই নজর থাকছে রাজনৈতিক মহলের।
