AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

CID: ফের লাখ লাখ টাকা উদ্ধার কলকাতায়, বড় সাফল্য CID-র

CID : উদ্ধার হওয়া এই টাকার সঙ্গে ঝাড়খণ্ডের বিধায়কদের কোনও যোগ রয়েছে কি না, সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন সিআইডি অফিসাররা। অফিসের ভিতরে এত টাকা কেন রাখা ছিল, ওই টাকার উৎস কী, সেই সব দিকগুলিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

CID: ফের লাখ লাখ টাকা উদ্ধার কলকাতায়, বড় সাফল্য CID-র
টাকা উদ্ধার করল CID
| Updated on: Aug 02, 2022 | 6:25 PM
Share

কলকাতা : ফের লাখ লাখ নগদ টাকা উদ্ধার শহর কলকাতায়। মঙ্গলবার দুপুর থেকে বিকানের বিল্ডিং-এ অভিযান চালান সিআইডি আধিকারিকরা। বিকানের বিল্ডিং-এর যে অফিস থেকে টাকা উদ্ধার হয়েছে, তার মালিকের নাম মহেন্দ্র আগরওয়াল। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, এই টাকা ঝাড়খণ্ডের বিধায়কদের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই হাওড়ার পাঁচলা থানা এলাকা থেকে প্রচুর পরিমাণে নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছিল একটি গাড়ি থেকে। ওই গাড়িতে ছিলেন ঝাড়খণ্ডের তিন কংগ্রেস বিধায়ক। সেই সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। সেই ঘটনার তদন্ত চলাকালীন এদিন কলকাতার বিকানের বিল্ডিং-এ হানা দেন সিআইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। সেখানে মহেন্দ্র আগরওয়াল নামে এক ব্যক্তির অফিসে তল্লাশি চালিয়ে এই টাকা উদ্ধার করেন আধিকারিকরা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত প্রায় দুই লাখ টাকা উদ্ধার হয়েছে।

সূত্রের খবর, বিকানের বিল্ডিং থেকে ঝাড়খণ্ডের বিধায়কদের কাছে টাকা গিয়ে থাকতে পারে। সিআইডি সূত্রে খবর, এক ব্যবসায়ীর থেকেই টাকা গিয়েছিল বিধায়কদের কাছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে বিকানের বিল্ডিং-এর প্রায় দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তল্লাশি চালানোর পর মহেন্দ্র আগরওয়াল নামে এক ব্যক্তির অফিস থেকে বিশাল অঙ্কের এই টাকা উদ্ধার করা হয়। মঙ্গল দুপুর ১টার কিছু সময় পর বিকানের বিল্ডিং-এর শেয়ার ট্রেডিং-এর অফিসে হানা দেন সিআইডি আধিকারিকরা। সেই সময় অফিস বন্ধ ছিল। অফিসের তালা ভেঙে ভিতরে ঢোকেন তদন্তকারী অফিসাররা।

CID West Bengal

অফিসের ভিতরে সিআইডি আধিকারিকরা

ইতিমধ্যেই ডিআইজি-সিআইডি ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছেন। অফিসের ভিতরে এখনও তল্লাশি চলছে। ওই অফিসের ভিতরে আরও কোনও টাকা রাখা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন অফিসাররা। উদ্ধার হওয়া এই টাকার সঙ্গে ঝাড়খণ্ডের বিধায়কদের কোনও যোগ রয়েছে কি না, সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন সিআইডি অফিসাররা। অফিসের ভিতরে এত টাকা কেন রাখা ছিল, ওই টাকার উৎস কী, সেই সব দিকগুলিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।