Left leader Sujan Chakraborty: ‘মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে’, SIR তালিকার ঠিক পরেই ভোট ঘোষণার সম্ভবনা নিয়ে তোপ সুজনের
Sujan Chakraborty on SIR: যাঁদের নাম বাদ যাবে তাঁদের কী আর নতুন করে আবেদন করার সুযোগ পাচ্ছেন? নাকি এবার আর কোনওভাবেই তাঁরা ভোট দিতে পারবেন না? চাপানউতোর চলছেই। এ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এবার একেবারে কমিশনের বিরুদ্ধেই তোপের পর তোপ দাগলেন বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী।

কলকাতা: এক ধাক্কায় ১৪ দিন পিছিয়ে গিয়েছে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিন। ১৪ নয়, ২৮ তারিখ বের হবে এসআইআর-র চূড়ান্ত তালিকা। ইতিমধ্যেই একেবারে নোটিস দিয়ে সে কথা সে কথা জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এদিকে আবার সূত্রের খবর, নতুন মাসের শুরু হতেই অর্থাৎ একেবারে প্রথম সপ্তাহেই সামনে এসে যেতে পারে বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট। চালু হয়ে যাবে আদর্শ নির্বাচনী আচরণ বিধি। ইতিমধ্যেই খসড়া তালিকায় বাদ গিয়েছে ৫৮ লক্ষ মানুষের নাম। অন্যদিকে চূড়ান্ত তালিকায় কত মানুষের নাম বাদ যাবে তা নিয়ে চলছে চাপানউতোর। অন্যদিকে যাঁদের নাম বাদ যাবে তাঁদের কী আর নতুন করে আবেদন করার সুযোগ পাচ্ছেন? নাকি এবার আর কোনওভাবেই তাঁরা ভোট দিতে পারবেন না? চাপানউতোর চলছেই। এ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এবার একেবারে কমিশনের বিরুদ্ধেই তোপের পর তোপ দাগলেন বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী।
কমিশনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে সুজন বলছেন, “৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি, তারপর এখন বলছে ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা বের হবে। আমরা যা বলছিলাম তা তো মিলে গেল। অযোগ্য, অপদার্থ একটা নির্বাচন কমিশন। কোনও প্রস্তুতিই নেই। ভোটার তালিকা তৈরি করার থেকে ওদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেল রাজনীতি করা। মানুষকে দিনের শেষে বিপদে ফেলার একটা ব্যবস্থা করা হল।”
অন্যদিকে সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই ভোটের বিষয়ে সিইও মনোজ আগরওয়াল এর কাছে যাবতীয় বিষয় তথ্য সংগ্রহ কমিশনের। এসআইআরের তালিকা প্রকাশের পরই ভোট ঘোষণার আভাসও মিলেছে বৈঠকে। ভোট ঘোষণার আগে আসার সম্ভাবনা ফুল বেঞ্চেরও। এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে সুজন বলছেন, “২৮ তারিখ তালিকা প্রকাশ করে দু’দিন পরে ভোট ঘোষণা করে দেবে। অনেক মানুষের নাম যে বাদ দেবেই তা বোঝাই যাচ্ছে। সেই মানুষগুলির ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্যই কী এই ব্যবস্থা? খুব সর্বনাশের কাজ হচ্ছে। মতুয়া সমাজের মানুষদেরও ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। আসলে গরিব মানুষ বঞ্চিত করার যে চক্রান্ত চলছে তার শোধ তুলতেই হবে। যে বিজেপিই করুক বা তৃণমূল করুক। আসলে ওরা মানুষের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলে সেটা এখন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। তবে মানুষ এর শোধ তুলবেই, অপেক্ষায় থেকো।”
