AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Sandipan Saha: ‘খুব বড় ব্লান্ডার… দায় তো অভিষেককে নিতেই হবে’ , স্পষ্ট বলে দিলেন বিধায়ক সন্দীপন

Fake Signature Case: 'বিধায়ক হিসেবে শপথ নিয়েছি। সেই দায়িত্ব থেকেই অভিযোগ জানিয়েছি।' এমনটাই বললেন সন্দীপন সাহা। তাঁর দাবি, দলে কোনও কথা শোনা হয় না, তাই দলে কোনও অভিযোগ জানাননি। তৃণমূল নৈতিকতা বা স্বচ্ছতা চায় না বলেও দাবি করেছেন তিনি।

Sandipan Saha: 'খুব বড় ব্লান্ডার... দায় তো অভিষেককে নিতেই হবে' , স্পষ্ট বলে দিলেন বিধায়ক সন্দীপন
সন্দীপন সাহাImage Credit: Facebook @SandipanSaha
| Edited By: | Updated on: Jun 01, 2026 | 4:09 PM
Share

কলকাতা: সই জাল-কাণ্ডে তৃণমূলের অন্দরমহলে ঝড়। বিধায়কদের অনুপস্থিতিতেই তাঁদের সই বসিয়ে দেওয়া হয়েছে রেজোলিউশনে, এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে খোদ দলেরই দুই বিধায়কের তরফে। ইতিমধ্যে অভিযোগকারী দুই বিধায়ক সন্দীপন সাহা (Sandipan Saha) ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Ritabrata Banerjee) দল থেকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল। তবে নিজের বক্তব্যে অনড় এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা। তিনি সাফ জানিয়েছেন, নিয়ম বহির্ভূত কাজ হয়েছে, অভিযোগ তো জানাতেই হবে।

সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই এফআইআর দায়ের হয়।

অভিযোগ নিয়ে কী বলছেন সন্দীপন?

এন্টালির বিধায়কের দাবি, ৬ মে তৃণমূলের একটি বৈঠকে হাজির ছিলেন বিধায়করা। সেদিন বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে কোনও প্রস্তাব নেওয়া হয়নি। পরে ১৯ তারিখে যে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়, সেখানে ছিল ওই ৬ তারিখে উপস্থিত থাকা বিধায়কদের স্বাক্ষর। একাধিক বিধায়ক অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও, তাঁদের স্বাক্ষরের জায়গায় নাম লিখে দেওয়া হয়েছে, যা অনৈতিক ও নিয়ম বহির্ভূত হয়েছে বলে দাবি করেছেন সন্দীপন।

তিনি বলেন, “যাঁরা ৬ তারিখে ছিল না, তাঁদের ৬ তারিখের সই দেখিয়ে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়েছে। এটা তো অনৈতিক। নিয়ম বহির্ভূত হলে তো অভিযোগ জানাতেই হবে।” সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে সন্দীপন বলেন, “এটা করার দরকার কী ছিল। যাঁরা ছিলেন, তাঁদের সই দিয়েই জমা দেওয়া যেত। এটা তো অনেক বড় ব্লান্ডার। আর সেটা এনডোর্স করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ওঁর উপর দায় তো বর্তাবেই। সেই দায় উনি এড়িয়ে গিয়েছেন।”

কেন দলকে না জানিয়ে বিধানসভায় অভিযোগ জানালেন?

‘বিধায়ক হিসেবে শপথ নিয়েছি। সেই দায়িত্ব থেকেই অভিযোগ জানিয়েছি।’ এমনটাই বললেন সন্দীপন সাহা। তাঁর দাবি, দলে কোনও কথা শোনা হয় না, তাই দলে কোনও অভিযোগ জানাননি। তৃণমূল নৈতিকতা বা স্বচ্ছতা চায় না বলেও দাবি করেছেন তিনি।

সন্দীপন বলেন, “দলকে কোনও প্রশ্ন করা হলে বলে, টুইটে দেখে নাও। উত্তর না দিয়ে বসিয়ে দেওয়া হয়। মুক্তভাবে আলোচনা করার কোনও পরিবেশই নেই দলের মধ্যে। সেখানে কথা বলা মানে তো দেওয়ালে মাথা ঠোকা।” তাঁর কথায়, সই জালিয়াতি নিয়ে মানুষ আমাদের প্রশ্ন করছে, কী মুখ নিয়ে যাব তাদের কাছে!

Follow Us