Firhad in Bhowanipur: ‘ড্রেনের জল ঘরে ঢোকে’ সাধারণ মানুষের কথা ববিকে বলতে বাধা TMC কর্মীদের, পরে ফিরহাদ বললেন, “রাস্তা উঁচু, বাড়ি নিচু, একটু জল জমতেই পারে’
এই ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতা হরেকৃষ্ণ দে বলেন, "কিছুই সমস্যা নেই। সমস্যা সঙ্গে সঙ্গে মিটিয়ে দিই। আসলে ওরা তো বোঝে না মিডিয়ায় কী বলতে হবে। আপনারা নানা রকম প্রশ্ন করেন ওরা উল্টোপাল্টা বলে দেবে। আপনি উপকার পেয়েছেন পেয়েও বলছে পাননি। বিভিন্ন ধরনের লোক থাকে তো কে কী বলে বোঝা যায় না। টালির চালের অভাব পূরণ করা যায় না, যতই দাও ততই চাইবে।"

কলকাতা: সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়িত্ব দিয়ে গিয়েছেন। সেই মতো ভবানীপুরে প্রচারে বেরিয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম। মমতার অনুপস্থিতিতে তাঁর উপরেই গুরু দায়িত্ব। কিন্তু শনিবার বিক্ষোভের মুখে পড়েন ফিরহাদ।
চেতলার ৮২ নম্বর ওয়ার্ড। পাড়াটা নিজের হলেও বিধানসভা কেন্দ্র হল ভবানীপুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়েই ব্যাট করছিলেন ফিরহাদ হাকিম। প্রচারের শুরুতে চার-ছয়ই মারছিলেন। আচমকা এলাকার কয়েকজন মহিলা নিকাশি সমস্যার কথা বলতে যান ববিকে। নেতার অনুগামীরা বিপদ বুঝে তাঁকে আর মুখোমুখি হতে দেননি। ততক্ষণে যা গোলমাল হওয়ার হয়ে গিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আট বার চিঠি লেখা হয়েছে। বারবার ড্রেন পরিষ্কারের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু কিছু করেননি। ওই ড্রেনের জল আমার ঘরে ঢুকে যায়। আমি সেটা হাত দিয়ে মুছি। পরিষ্কার করি।” আরও এক মহিলা বলেন, “আমরা কী সমস্যার মধ্যে বাস করছি বলুন তো? বাচ্চা আছে। ইনফেকশন হয়ে যাবে। আমরা যখন কথা বলতে গিয়েছি তখন হাত দিয়ে টেনে সরিয়ে দেয়। কথা বলতেই দেয় না।”
এক তৃণমূল কর্মীকে আবার বলতে শোনা গেল মহিলাদের উদ্দেশে চিৎকার করে করে বলছেন, “ভুল করলে খুব ভুল করলে…।”
এই ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতা হরেকৃষ্ণ দে বলেন, “কিছুই সমস্যা নেই। সমস্যা সঙ্গে সঙ্গে মিটিয়ে দিই। আসলে ওরা তো বোঝে না মিডিয়ায় কী বলতে হবে। আপনারা নানা রকম প্রশ্ন করেন ওরা উল্টোপাল্টা বলে দেবে। আপনি উপকার পেয়েছেন পেয়েও বলছে পাননি। বিভিন্ন ধরনের লোক থাকে তো কে কী বলে বোঝা যায় না। টালির চালের অভাব পূরণ করা যায় না, যতই দাও ততই চাইবে।”
সবটা শুনে ফিরহাদ কী বললেন?
তিনি বলেন, “ঘর থেকে জমা জলের কথা বলেছেন। সমস্যার কথা বলবেই। রাস্তা উঁচু হয়ে যাচ্ছে বাড়ি নিচু হচ্ছে। একটু জল জমতেই পারে। বাংলার বাড়ি হবে খোঁড়াখুড়ি হয়েছে। এগুলি নিয়ে এত হইচইয়ের কী আছে? হাজার হাজার মানুষ আমায় জড়িয়ে ধরে বলছেন, আর একটা মানুষ আমায় সমস্যা বলেছে কী যায় আসে?”
