TMC 21st July LIVE: ‘শহিদ রক্তে তর্পণ করে বলছি, তোমাদের বিদায় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই থামবে না’: মমতা
TMC 21st July Meeting LIVE: এই সব মিলিয়েই সোমবার তৃণমূলের বার্ষিক ২১ জুলাইয়ের সভা। ধর্মতলায় ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে কর্মী-সমর্থকেরা। আদালতের নির্দেশ, ৮টার মধ্য়ে মিছিল শেষ করতে হবে।

কলকাতা: চোখের সামনে একাধিক চ্যালেঞ্জ। তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরে বারংবার ‘ধাক্কা’। আর এই সব মিলিয়েই সোমবার তৃণমূলের বার্ষিক ২১ জুলাইয়ের সভা। ধর্মতলায় ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে কর্মী-সমর্থকেরা। আদালতের নির্দেশ, ৮টার মধ্য়ে মিছিল শেষ করতে হবে। তাই সেই মতোই ভোর থেকেই সারি সারি বাসে করে একুশের সভায় উপস্থিত হয়েছে রাজ্যের প্রায় সকল অংশের নেতা-কর্মীরা। অপেক্ষা শুধু একটাই, পরের বছরের বিধানসভা নির্বাচনের আগে কোন দিকে থাকবে তৃণমূলের অভিমুখ। তা জানা যাবে সোমেই।
LIVE NEWS & UPDATES
-
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য একনজরে
- গত ৩৩ বছর ধরে এই দিনটি আমরা শহিদ তর্পণে গণতন্ত্র দিবস পালন করি। সেদিন এই রাস্তায় রক্ত ঝরে। তেরোটি অমূল্য প্রাণ রক্ত দিয়ে গণতন্ত্রকে জেতায়। এই সংগ্রাম চলবে। এই সংগ্রাম তবেই শেষ হবে যখন কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে উৎখাত করব
- বামপন্থীদের কথা যত না বলে ততই ভাল। সোশ্যাল নেটওয়ার্কে টাকা খরচা করে বসে আছে। নরকঙ্কালের সরকার বাংলাকে শেষ করেছে। তুমি সাধু?
- রাজ্য সরকারের ৯৪টা সামাজিক স্কিম আছে
- বিজেপির চক্রান্ত, নির্বাচন কমিশনের চক্রান্ত, গদি মিডিয়াও আছে। আগের বার বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছিল। আমাদের রাজ্যে পাঠায়নি। কেন্দ্র সরকার নোটিফিকেশন দিয়ে বিজেপি শাসিত রাজ্যে বলছে একমাসের জন্য যাকে সন্দেহ হবে জেলে আটকে রাখবে ডিটেনশন ক্যাম্প করে। যার জন্য একহাজারের বেশি লোককে বাংলাদেশে, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থানের জেলে ঢোকানো হয়েছে।
- জুলাই মাসে আমাদের চিঠি পাঠিয়েছে। ওরা সেন্ট্রাল ফোর্স থেকে নোডাল অফিসার তৈরি করতে। যারা মানুষকে ভোটার লিস্ট থেকে বাদ দেব। বাংলা ভাষার উপর সন্ত্রাস চলছে। কে মাছ-মাংস-ডিম খাবে সব ওরা ঠিক করে দিচ্ছে।
- আমার কাছে লিস্ট আছে, আমি জানি না বাংলাদেশে কত লোককে ফেরত পাঠিয়েছেন। সারা পৃথিবীতে রোহিঙ্গা সংখ্যা কত? ইউনাইটেড নেশন বলছিল দশ লক্ষ। আপনারা কীভাবে বলছেন সতেরো লক্ষ?
- রাজবংশী ভাই উত্তম এসো আমার কাছে। অসম সরকার এনআরসি নোটিস পাঠিয়েছে এনআরসি করবে। মতুয়াদের উপরও অত্যাচার হয়েছে।
- উনি বললেন এখানে দুজন ছাত্রীর উপর অত্যাচার হয়েছে। আমরা অ্যাকশন নিয়েছি। বিজেপি নেতারা বলতে পারেন? সম্মান রক্ষায় ছাত্রী দৌড়াচ্ছিল সেই সময় তাঁকে জ্যান্ত পুড়িয়েছেন। উত্তর দিন।
- বলছে পরিবর্তন আনে সে উন্নয়ন করেগা–কী উন্নয়ন করেছেন? এতদিন রয়েছেন সেখানে?
- বাংলার বাড়ি বন্ধ করেছেন, বাড়ি বন্ধ করেছেন। আপনি আসলে বাংলাকে ভয় পান।
- বিহারে প্রচুর মানুষের নাম কেটে দিয়েছে। বাংলায় হলে ঘেরাও কর্মসূচি করব।
- বাংলায় কথা বলার জন্য দেখুন কত লোককে ডিটেনশন ক্যাম্পে লোক দিয়েছে। দিল্লিতে বিদ্যুত কেটে দিয়েছে। পানীয় জল খেতে দিচ্ছে না। নির্বাচন এলে রাজবংশী, মতুয়া, করা।
- খেলোয়ারের উপর অত্যাচার হল। যে অত্যাচার করল তাঁকে এমপি টিকিট দিল। বিজেপির কথায় ব্রিজভূষণ ভারত রত্নের অধিকারী।
- বলছে বাংলায় কাজ নেই বাইরে চলে গেছে। ২০২৫ সালে তিন হাজার পাঁচশো জন ভারত ছেড়ে চলে গেছে।
- আমি দেখলাম লক্ষাধিক লোক রাস্তায় আছে তাঁরা ঢুকতে পারেননি। আমি পরিষ্কার বলছি বাঙালির উপর অত্যাচার হলে লড়াই দিল্লি অবধি যাবে। মনে আছে তো নন্দীগ্রাম আন্দোলনের কথা। আমার বই পড়ুন জানতে পারবেন।
- সব থেকে বেশি ডাকাত-কাটমানি খাওয়া সিপিএম দেখিয়েছে আর বিজেপি সেই পথে চলে।
- অসমের মুখ্যমন্ত্রী নিজের রাজ্যকে সামলাতে পারছেন না বাংলায় নাক গলাচ্ছেন? সুস্মিতাদেব দের বলব ওইখানে গিয়ে আন্দোলন করতে।
- হিন্দি ভালবাসি বারবার বলছি। অন্য ভাষাকে অসম্মান করি না। দরকারে আবার ভাষা আন্দোলন হবে। আপনাদের কন্ট্রল করছে আমেরিকা প্রেসিডেন্স। কেন পাক অধিকৃত পাক অধিকৃত দখল করতে পারলেন না? আপনারা না হিন্দু না মুসলমান, না হিন্দু, না কিছু
- মনে রাখবেন ওরা আমেরিকা থেকে পাঠিয়েছিল দড়ি বেঁধে বেধে। বাংলার তো কাউকে পাঠিয়ে দেননি।
- গুজরাটে বসে বসে নাম কাটছে। ভিনরাজ্যের লোকের নাম ঢোকাচ্ছে। ত
- তৃণমূল জন্ম নেওয়ার সময় বলেছিলেন গরুতে খেয়ে নেবে। তৃণমূলকে শেষ করা অত সহজ নয়। যাঁরা ভাবছেন মমতা-অভিষেক-তৃণমূলকে গালিগালাজ করে পার পেয়ে যাবেন। সোশ্যাল নেটওয়ার্কে টাকা পাবেন মহাশূন্যে যাবে।
- এবার যদি কাউকে চোর বলে তাহলে পাল্টা বলেবেন আপনারা চোর-ডাকাত। এরাই কয়লা-গরু সবের টাকা খায়।
- বাংলায় থাকবে আমার পোস্টার ছিঁড়বে? পুলিশকে আঘাত করে। পরিবারকে গালিগালাজ করে।
- ১১ জুলাই চিঠি দিয়ে বলছে, এখানে স্টেট ফোর্স কাজ করবে। সেন্ট্রাল ফোর্স নয়।
- অসমে মা কালীর মন্দির ভেঙে দিয়েছে। বাংলায় হলে কী করতেন? ডান্স বাংলা ডান্স করতেন। বলতেন মমতাজি দুর্গাপুজো করতে দেয় না।
- ভোটের সময় মা কালী-দুর্গার কথা মনে পড়ে? জগন্নাথ ধামের মতোই আগামী দিনে দুর্গাঙ্গন বাংলায় হবে।
- পরিযায়ী শ্রমিকদের বলব, বাংলায় ফিরে আসুন। এখানে অনেক কিছু হচ্ছে। ফ্লাইওভার উদ্বোধন করলেন সেখানে বলেছেন যে আমরা দু কোটি টাকা রাজ্য দিয়েছে?
- ১৯৯০ সালে বামেরা মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিল হাজরা মোড়ে। শুধু এক্সারসাইজ ও হাঁটি বলে আমি এখনও শক্ত। পাঁচটাকে আমি একসঙ্গে নিতে পারি।
- খেলা আবার হবে। বাংলা ভাষা সম্মান রক্ষার খেলা, লক্ষ্মী বাঁচানোর খেলা, অন্য ভাষাকে সম্মান দেওয়ার খেলা। এই খেলা সকলকে নিয়ে খেলতে হবে। এবার একেবারে ছক্কা মেরে বোল্ড আউট করতে হবে। বিজেপিকে বোল্ড আউট, সিপিএমকে মহাশূন্যে পাঠাতে হবে। ২০২৬ পর আমিও দেখব তোমরা কোথায় থাক। বাংলাকে বদল করতে গিয়ে, ভারত সরকারের বদল হবে না তো? আগামী দিন দিল্লিকে পরিবর্তন করতে হবে। শহিদ রক্তে তর্পণ করে বলছি তোমাদের বিদায় না হওয়া পর্যন্ত লড়াই থামবে না।
- বৃষ্টি হয়নি কারণ নতুন খেলা শুরু হয়েছে। সূর্যদেব বলছে, চোখ দিয়ে জল নয় আগুন বেরবে।
- কথায়-কথায় নবান্ন অভিযান, আমার বাড়ির সামনে যাওয়া? তাহলে কথায় কথায় আপনাদের বাড়ির সামনে যাবে না। আগের বার বলেছিলাম বদলা নয় বদল চাই। এবারের স্লোগান, জব্দ হবে স্তব্ধ হবে। আমাদের দর্শন তোমাদের বিসর্জন।
- সোশ্যাল নেটওয়ার্কের সব কথা সত্যি নয়। এআই দিয়ে তৈরি করে আমার ভিডিয়ো বানায়।
- ২৭ জুলাই নানুর দিবস। সেই টানা ভাষা আন্দোলন শুরু হবে।
-
‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বামপন্থী প্রোডাক্ট বলে এই বিজেপি’
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়: গত বছরের একুশে জুলাইকেও ছাপিয়ে গেছে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়: বিজেপি ও তৃণমূল সম্মুখ সমরে লড়ছে। তফাৎ হল মডিয়ার একাংশ, বিচার ব্য়বস্থার একাংশ, পেগাসাস কাজে লাগিয়েও বিজেপি জিততে পারেনি। কারণ আমাদের মতো কর্মী ওদের নেই।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়: ২০২৪ এর একুশে জুলাইয়ে বলেছিলাম আপনারা প্রস্তুত হন। আজ থেকে ষোলো-সতেরো মাস আগে তৃণমূল ব্রিগেডের ডাক দেয়। এক সপ্তাহের ব্য়বধানে লোকে ভরিয়ে দিয়েছিলাম।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়: এই উত্তর কলকাতায় বিদ্যাসাগরের মূর্তি বলে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বামপন্থী প্রোডাক্ট বলে এই বিজেপি বাংলা বিরোধী। বাংলায় কথা বললে কীসের জ্বালা? এখানে জেতেননি বলে? আমি বলেছিলাম ৫০ পেরবে না বিজেপি। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি, যে ভাবে বাংলার মানুষকে লাঞ্ছিত করছে … যেগুলো এখনো রয়েছে তাঁদের ঝেঁটিয়ে বঙ্গোপসাগরে ফেলতে হবে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়: বাংলার ভোটার লিস্টে কারচুপি করতে দেব না। একশো দিনের টাকা আটকে রেখেছেন। আসাম ফরেস্ট ট্রাইবুনালকে দিয়ে চিঠি পাঠিয়ে বাঙালিকে বলেছে বাংলাদেশি। আমরা বাংলাতেই কথা বলছি।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়: আগে জয় শ্রীরাম বলতো? আজ বলছে জয় মা দূর্গা, জয় মা কালী। লিখে রাখুন ছাব্বিশের পর জয় বাংলা বলাবো। এখন যে জয় মা দূর্গা বলতে হচ্ছে? এটাই বাংলার মানুষের জয়। ইনকাম ট্যাক্স লাগিয়ে যে দুর্গাপুজো বন্ধ করতে চেয়েছিলেন? বুঝবেন মানুষ কী করবে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়: ২১-এর আগে বলেছিলাম খেলা হবে, আজ বলছি পদ্মফুল উপড়ে ফেলতে হবে। বাঙালি বাংলায় কথা বললেই বলছে বাংলাদেশি। মাছ খাওয়া নিয়ে বাঙালিকে ব্যাঙ্গ করে। আমরা দরকারে পার্লামেন্টে বাংলায় কথা বলব দেখি কার গায়ে জ্বালা। তোমাদের কথায় বাংলার মানুষ উঠবে বসবে? গলা কেটে দিলেও জয় বাংলা বেরবো।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়: বিজেপি একদিকে ইডিকে লাগাচ্ছে, অন্য দিকে মানুষের ভোটাধিকার কাড়ছে। আমরা বৈষম্যে বিশ্বাসী নই। আমাদের এই মাটিতে দুর্গাপুজো-কালীপুজো ছটপুজো সব হয়। এই বাংলায় আঁচড় কেটে অশান্ত করা যাবে না। আগুন নিয়ে যে খেলবে সেই জ্বলে পুড়ে ছাড়বে। এক ইঞ্চি জমি ছাড়া যাবে না।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়: আমরা কোনওদিন প্রতিহিংসার রাজনীতি করেছি? বিজেপি যেখানে জিতেছে সেখানে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রূপশ্রী, কণ্যাশ্রী বন্ধ করেছেন? আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। ছাব্বিশে এদের শূন্য করতে হবে।
-
-
ধর্মতলায় দেবলীনা-তৃণারা
- ধর্মতলায় চাঁদের হাট। একুশে জুলাই উপলক্ষে তৃণমূলের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা যেমন উপস্থিত হচ্ছেন তেমনই বাংলা সিরিয়াল-সিনেমার একাংশ অভিনেত্রীদেরও দেখা যাচ্ছে ধর্মতলায়। সকলেই মুখিয়ে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বার্তা দেন সেইদিকে।
- আজ দুপুর নাগাদ একসঙ্গে দেখা গেল বিধায়ক দেবাশিস কুমারের মেয়ে দেবলীনা কুমার ও অভিনেত্রী তৃণা সাহাকে। দেবলীনা পরেছেন সাদা শাড়ি, আর ত্রিণা কুর্তি। এ দিন তৃণা জানান যে প্রতিবছরই তাঁরা একুশে জুলাইয়ের জন্য অপেক্ষা করে থাকেন।
দেবলীনা তৃণা
বিস্তারিত পড়ুন: Trina and Devlina Kumar 21st July: সাদা কুর্তি-শাড়িতে দেবলীনা-তৃণারা, হাসি মুখে বললেন, “দিদির থেকে সব সময় ভাল কিছু আশা করি”
-
শহিদ বেদীতে মাল্যদান অভিষেকের
- কালোগাড়িতে ধর্মতলায় এসে পৌঁছলেন তৃণমূল সাংসদ তথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
- এ দিন দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ ধর্মতলায় পৌঁছন তিনি
- শহিদ বেদীতে মাল্যদান করেন তৃণমূল নেতা।
- মাটিতে মাথা ছুঁইয়ে প্রণাম করলেন তিনি

-
তৃণমূলের টুপি পড়ে জঙ্গলমহল থেকে সোজা কলকাতার ধর্মতলায়…
-
-
বাঙালি আবেগকে অস্ত্র করেই ছাব্বিশের কৌশল?
-
ধর্মতলায় কীভাবে যাচ্ছেন তৃণমূল কর্মীরা? দেখুন…
-
পিকনিকের মুডে তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা?
- শহিদ স্মরণে একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ ঘিরে তুমুল উন্মাদনা।
- পিকনিক মুডে রয়েছেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। নিউটাউনের রাম মন্দির প্যাঁচার মোড় থেকে বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের ঢল।
- তাঁবু টাঙিয়ে এলাহি খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন।
- বসিরহাট, হাড়োয়া আন্দুলিয়া, রোহান্ডা, মধ্যমগ্রাম থেকে আসা তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা ভুরি ভোজের আয়োজন করেছেন।
- গ্যাস ওভেন জ্বালিয়ে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন চললছে। কোথাও রান্না হচ্ছে ভাত, ডাল, আলু, পটল, চিংড়ি, মুরগির মাংস।
- আবার কোথাও রান্না হচ্ছে, ভাত ডাল আলু পটল চিংড়ি,মটন এলাহী আয়োজন।

-
21 July: জীবন ভান্ডার হাতে প্রতীকী মমতা
সোনারপুরের হৃদিকা দাস বিরল স্নায়ু রূপে আক্রান্ত। ১৬ কোটি টাকা প্রয়োজন সুস্থ করতে। জীবন ভান্ডার নিয়ে অসুস্থ হৃদিকার জন্য ক্রাউড ফান্ডিং করছেন প্রতীকী মুখ্যমন্ত্রী।
জীবন ভান্ডার হাতে প্রতীকী মুখ্যমন্ত্রী
-
ধর্মতলামুখী রচনা
হাওড়ায় সাধারণের ভিড়েই দেখা গিয়েছে হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে। এদিন সভায় যোগ দেওয়ার পূর্বে তিনি বলেন, ‘মানুষের পাশে থাকব। আজকের দিনে মঞ্চে নিশ্চয়ই যাব। এত অগুনতি মানুষ ধর্মতলার দিকে যাচ্ছে। তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব।’

-
হাওড়া টু ধর্মতলা
মিছিলের আকারে কাতারে কাতারে মানুষজন পৌঁছে গিয়েছে ফেরির দিকে। এবার সেখান থেকে ধর্মতলার পথে। এই ভিড়ের মাঝে ধর্মতলার পথ ধরেছেন হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
-
শিয়ালদহে তত্ত্বাবধানে জ্যোতিপ্রিয়
শিয়ালদহ স্টেশনে আগত কর্মী-সমর্থকদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেই ব্যাপারটা নিজের তত্ত্ববধানে নিয়ে দেখভালের কাজে নেমে পড়েছেন হাবড়ার তৃণমূল বিধায়ক জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এদিন তিনি বলেন, ‘আমাদের একমাত্র দল, যাদের বুথ লেভেলের কমিটি রয়েছে। এটা কারওর নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বার্তা দিচ্ছেন, তা জানতেই এত কর্মীরা ছুটে আসছেন।’
জ্য়োতিপ্রিয়র পাশেই বসেছিলেন জীবনকৃষ্ণ সাহাও। তিনি একুশের সভার দিনেও কেন্দ্রের দিকে বন্দুক তাক করে রয়েছেন। জীবনকৃষ্ণের অভিযোগ, ‘গত দু’দিন ধরে সময়ের আগেই ট্রেন স্টেশনে পৌঁছে যাচ্ছিল। আজ সময় পেরিয়ে গেলেও ট্রেনের দেখা নেই। সবাই সব কিছুই বোঝেন।’
জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক
-
আদালতের নির্দেশেই মান্যতা, সময়ের আগে হেঁটে ধর্মতলার পথে সমর্থকরা
আদালতে নির্দেশেই মান্যতা। শহরের মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়েছে পুলিশ। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। তাই সকাল ৯টা থেকে ১১টার মধ্য়ে কোনও মিছিল নয়। যা মেটানোর, তা মেটাতে হবে ৮টার মধ্য়েই। সোমের সাতসকালে নজরে এল সেই ছবিটাই। গত বছরের তুলনায় সময়ের আগেই ধর্মতলার দিকে মিছিল করে বেরিয়ে পড়েছেন সমর্থকরা। মেয়ো রোডে প্রতি বছর ৯টার সময় যে ভিড় থাকে। এই বছর তা ধরা পড়ল সকাল সাড়ে ৬টায়।

-
তৈরি বাস, ডায়মন্ড হারবার থেকে রওনা দিচ্ছেন কর্মী-সমর্থকরা
শহিদ স্মরণে শয়ে শয়ে বাস অভিষেকের গড় ডায়মন্ড হারবার থেকে রওনা দিয়েছে ধর্মতলার দিকে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি বুথ থেকে একটি করে বাস ছাড়া হয়েছে। মোট বাসের সংখ্যা প্রায় ৩০০। যাতে চেপে ধর্মতলা যাচ্ছেন ৩০ হাজার কর্মী-সমর্থক।

-
ভোরের আলো ফোটার মুহূর্তেই একুশের মঞ্চ ঘিরে থিকথিকে ভিড়
কোথাও উঠছে অভিষেকের সমর্থনে স্লোগান। কারওর বুকে আবার মমতার ছবি। রাজ্যের সমস্ত জেলার নেতা-কর্মী এসে পৌঁছেছেন ধর্মতলার একুশে জুলাইয়ের সভা মঞ্চে।

Published On - Jul 21,2025 6:22 AM
