
কোষ্ঠকাঠিন্য হোক বা কোলেস্টেরলের সমস্যা—ফ্ল্যাক্স সিড সব শারীরিক সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে। প্রোটিন, ফাইবার, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর হয় এই বীজ। তাই তো ফ্ল্যাক্স সিডকে বলে 'সুপারফুড'।

সাধারণত বেশিরভাগ মানুষ ফ্ল্যাক্স সিড জলে ভিজিয়ে খান। এতেই ভাল উপকার মেলে। তবে, জলে ভিজিয়ে ফ্ল্যাক্স সিড খাওয়া ছাড়াও এই বীজ খাওয়ার আরও অনেক উপায় রয়েছে।

ব্রেকফাস্টে স্মুদি খান? স্মুদিতে এক চামচ ফ্ল্যাক্স সিড মেশাতে পারেন। এতে স্মুদির স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বেড়ে যায়। এভাবে ফ্ল্যাক্স সিড খেতে পারেন।

বাড়িতে গ্র্যানোলা বার বানিয়ে খেতে পারেন। তাতে অন্যান্য উপকরণের সঙ্গে ২ চামচ ফ্ল্যাক্স সিডের গুঁড়ো মিশিয়ে দিতে পারেন। এতে ফাইবার ও প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ হয়ে যাবে।

ফ্ল্যাক্স সিডের গুঁড়োর সঙ্গে আমন্ড, আখরোট ও খেজুর মেখে নিন। ফ্ল্যাক্স সিডের লাড্ডুও কিন্তু দারুণ উপকার দেবে। এতে ডেজার্ট খাওয়ার ইচ্ছেও পূরণ হবে।

যে কোনও স্যালাদের উপর রোস্টেড ফ্ল্যাক্স সিড ছড়িয়ে দিতে পারেন। ফ্ল্যাক্স সিডের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের মিনারেল রয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী।

ব্রেকফাস্টে ব্রেড-বাটার খান? পাউরুটির উপর মাখন হোক বা অ্যাভোকাডো মাখান, উপর দিয়ে ফ্ল্যাক্স সিড ছড়িয়ে দিতে পারেন। এতে পাউরুটি খেতেও ভাল লাগবে।

টক দই স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী। টক দইয়ের সঙ্গে যদি ওটস, বেরিজাতীয় ফল ও ফ্ল্যাক্স সিড মিশিয়ে খাওয়া যায়, তাহলে দুর্দান্ত উপকার মেলে।