দাঁতের সমস্যায় নাজেহাল? এড়াবেন না, নইলে হতে পারে মহাবিপদ!
শুধু দাঁত মাজলেই মুখ পুরো পরিষ্কার হয় না। দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা খাবারের কণা থেকে জীবাণু তৈরি হয়, যা মাড়ির সংক্রমণের বড় কারণ। তাই প্রতিদিন দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার করার অভ্যাস গড়ে তোলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে মাড়ি থেকে রক্ত পড়া ও ফুলে যাওয়ার সমস্যা অনেকটাই কমে।

দাঁত আর মাড়ির যত্নকে অনেকেই প্রাধান্য দেন না। কিন্তু জানেন কি মুখের স্বাস্থ্য ঠিক না থাকলে শরীরে নানা জটিল সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে? দন্ত চিকিৎসা সংক্রান্ত গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক ও ভারতীয় দন্ত স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, কিছু সাধারণ অভ্যাস মেনে চললেই দাঁত ও মাড়ির বহু সমস্যা এড়ানো সম্ভব। কী কী ভাবে দাঁতের যত্ন করবেন?
দিনে দুবার দাঁত মাজা জরুরি – দন্ত চিকিৎসকেরা স্পষ্ট জানাচ্ছেন, দিনে অন্তত দুবার দাঁত মাজা বাধ্যতামূলক। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর এবং রাতে ঘুমোনোর আগে দাঁত মাজলে মুখের ভিতরে জমে থাকা জীবাণু নষ্ট হয়। নরম ব্রাশ ব্যবহার করলে মাড়িতে আঘাত লাগে না এবং দাঁতের উপরের স্তরও সুরক্ষিত থাকে। নিয়মিত এই অভ্যাস দাঁতকে অনেকটাই ক্ষয় ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।
দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার না করলে বিপদ- শুধু দাঁত মাজলেই মুখ পুরো পরিষ্কার হয় না। দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা খাবারের কণা থেকে জীবাণু তৈরি হয়, যা মাড়ির সংক্রমণের বড় কারণ। তাই প্রতিদিন দাঁতের ফাঁক পরিষ্কার করার অভ্যাস গড়ে তোলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে মাড়ি থেকে রক্ত পড়া ও ফুলে যাওয়ার সমস্যা অনেকটাই কমে।
অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার কম খাওয়া দরকার- গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বেশি মিষ্টি খেলে মুখের ভিতরে অ্যাসিড তৈরি হয়। এই অ্যাসিড দাঁতের শক্ত আবরণ নষ্ট করে দেয়। ফলস্বরূপ দাঁতে গর্ত, ব্যথা এবং সংবেদনশীলতার সমস্যা দেখা দেয়। তাই চিকিৎসকেরা বলছেন, প্রতিদিন মিষ্টি না খাওয়াই ভালো।
খাওয়ার পর মুখ পরিষ্কার রাখা জরুরি- খাবার খাওয়ার পর অনেকেই মুখ পরিষ্কার করার দিকে গুরুত্ব দেন না। দন্ত চিকিৎসকরা বলছেন, খাওয়ার পর পরিষ্কার জল দিয়ে মুখ ধুলে দাঁতের উপর জমে থাকা অ্যাসিড ও জীবাণু অনেকটাই কমে যায়।
ব্যথা না হলেও ডাক্তার দেখানো দরকার- অনেক মানুষ দাঁতে ব্যথা না থাকলে চিকিৎসকের কাছে যান না। কিন্তু ডাক্তারদের মতে, বহু দাঁতের সমস্যা প্রথমে বোঝা যায় না। তাই বছরে অন্তত একবার দাঁতের ডাক্তারকে দেখালে বড় সমস্যা হওয়ার আগেই তা ধরা পড়ে এবং সহজে চিকিৎসা করা যায়।
