Nadia: গাড়ি ভাড়া বেশি পড়বে, তাই মেয়েকে নিয়ে তারাপীঠ গেলেও ছেলেকে রেখে যান বাড়িতে, যে ঘটনার সাক্ষী থাকলেন…
Nadia: খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ভীমপুর থানার পুলিশ। নাবালককে উদ্ধার করে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে পাঠায়। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। খবর পেয়েই তারাপীঠ থেকে ফেরত আসেন মা ও বোন। কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁরা।

নদিয়া: বাবার মৃত্যু হয়েছে আগেই। মা রান্নার কাজ করেন। মেয়েকে নিয়ে তারপীঠে পুজো দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ছেলেকে বাড়িতেই রেখে গিয়েছিলেন। টাকার অভাবে তাকে আর নিয়ে যেতে পারেননি। আর সেই অভিমানেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার ভীমপুরে। এলাকায় শোকের ছায়া।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই নাবালক সোমবার রাতে বাড়িতে একাই ঘুমিয়ে ছিলেন। মা ও বোন রাতে ছিল না। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির অনান্য সদস্যরা ঘরে ঢুকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান ওই নাবালককে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ভীমপুর থানার পুলিশ। নাবালককে উদ্ধার করে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে পাঠায়। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। খবর পেয়েই তারাপীঠ থেকে ফেরত আসেন মা ও বোন। কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁরা। মা জানান, তিন জনের গাড়ি ভাড়া অনেকটাই বেরিয়ে যাবে। তাই ছেলেকে রেখে গিয়েছিলেন। মেয়ের নামে পুজো দিতে গিয়েছিলেন। পুজো দিয়েই ফেরার কথা ছিল তাদের।কিন্তু এই কথা যে ছেলের এতটা খারাপ লেগে যাবে, একবারও বুঝতে পারেননি তিনি। মর্মান্তিক এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া।
