পাঠান ছবি, পাল্টে দিয়ে গিয়েছে বলিউডের একাধিক সমীকরণ। সে শাহরুখ খানের কামব্যাক হোক কিংবা দীপিকার বেশরম রং।
সত্যি বলতে দীপিতার এই রং অতীতে কেউ দেখেনি। গেহরাইয়াঁ ছবি দেখিয়ে ছিল তিনি কতটা সাহসী হতে পারেন। কিন্তু তিনি যে কতটা বোল্ড, তার প্রমাণ রেখেছে পাঠান।
সেই থেকে শুরু। ভোল বদলে দীপিকা এখন অন্য দুনিয়ার। যে স্টার জওয়ান ছবিতে শাড়ি পরা স্বপ্নের নায়িকা, তিনিই আবার ফাইটার পাঠান ছবিতে পর্দায় ঝড় তোলেন।
নাহ। ঝড় কেবল পর্দায় ওঠেনি। একইভাবে ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়, কীসের? তা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না।
ট্রোল ঝড়ে জেরবার তিনি। কখনও নিশানায় শরীরীভাঁজ, কখনও আবার নিতম্ব উঁচিয়ে রোম্যান্স। শুনতে কটু লাগলেও তাঁকে ঘিরে এমনই কুরুচিকর মন্তব্যের ছয়লাপ।
বেশরম রং গানে যেভাবে তিনি ট্রোল্ড হয়েছিলেন, যেভাবে ভাইরাল হয়েছিল তাঁর গোপনাঙ্গের আসপাশের ছবি, তাতে ছিঃ ছিঃ পড়ে গিয়েছিল একশ্রেণির মুখে।
তবে ট্রোলারদের থামায় কার ক্ষমতা। সেই দীপিকাই জওয়ান ছবিতে প্রশংসা কুড়িয়ে আবারও সবটা ভুলে ট্রোল্ড হলেন ফাইটার ছবিতে।
২০২৩ সালের শেষেই একে একে ফাইটার ছবির গান মুক্তি পেতে থাকে। হৃত্বিকের সঙ্গে গাঢ় রোম্যান্স যেন রাতারাতি অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় এক শ্রেণির কাছে। দীপিকার নিতম্ব ঘিরেও চর্চা। ফলে বছরভর দীপিকা ঝড় বর্তমান হলেও ট্রোল ঝড় থেকে মুক্তি নেই তাঁর।