
শরীরচর্চা করলে ক্যালোরি ঝরানো যায়, ফিট থাকা যায়। কিন্তু ওজন কমাতে গেলে ডায়েটে বদল আনতেই হবে। আর এই পরিবর্তনটা সকালের জলখাবার থেকেই আপনাকে করতে হবে।

অনেকেই সকালবেলা ভরপেট খাবার না খেয়েই কাজে বেরিয়ে যান। এই ভুল একদম করবেন না। আবার বেশিরভাগ মানুষ ব্রেকফাস্টে মুড়ি-পাউরুটি কিংবা রুটি খান। হাতে সময় কম থাকলে কী খান?

সকালবেলা নানা কাজের মাঝে আলাদা করে রকমারি ব্রেকফাস্ট বানানোর সময় থাকে না। তাই পুষ্টিকর খাবার হিসেবে ওটস খান রোজ সকালে। পাঁচ মিনিটে তৈরি হবে আর শরীরেও মিলবে হাজারো উপকারিতা।

সকালবেলা এমন খাবার খেতে হবে, যা সুগার লেভেলকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। এই কাজটা দক্ষতার সঙ্গে ওটস। ওটসের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম এবং এতে ফাইবার রয়েছে। তাই এই খাবার ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপকারী।

ওটসের মধ্যে থাকা ফাইবার কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও সহায়ক। ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপের মতো যে সমস্যায় ভুগলেই আপনি ওটস খেতে পারেন। এতে ওজনও কমাতে পারবেন খুব সহজে।

ওটস ও দুধ দিয়ে পোরিজ বানাতে পারেন। দুধের সঙ্গে ওটস ফুটিয়ে নিন। ঘন হয়ে এলে নামিয়ে নিন। এরপর মধু, শুকনো ফল ও বিভিন্ন বাদাম মিশিয়ে নিন। এভাবে ওটস খেতে পারেন রোজ সকালে।

মুখরোচক খাওয়ার ইচ্ছে হলে ওটস ও চকোলেটের প্যানকেক বানাতে পারেন। ওটস ও কোকো পাউডার একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এতে অল্প দুধ ও মধু দিয়ে ঘন করে নিন। অল্প আঁচে মাখন দিয়ে ভেজে নিন প্যানকেক। তাজা ফলের সঙ্গে পরিবেশন করুন ওটস ও চকোলেটের প্যানকেক।

দুধ-কলা দিয়েও ওটস খেতে পারেন। কলা চটকে মেখে নিন। এতে ওটস, দুধ, কলা, ভ্যানিলা এসেন্স মিশিয়ে ৩-৫ মিনিট মাঝারি আঁচে নাড়াচাড়া করে নিন। ঘন হয়ে এলে দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। তৈরি বয়েলড ওটস।