টক দইয়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা গুণে শেষ করা কঠিন। তাই অনেকেই সারাবছর দই খান। আবার অনেকে রান্নাতেও দই ব্যবহার করেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই টক দই বাড়িতে পাতা হয়।
বাড়িতে পাতা টক দই বেশিদিন ফ্রিজে রাখা যায় না। বাসি হয়ে গেলে তার গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায়। খাওয়ার পর টক দই বেঁচে গেলে, কাজে লাগাতে পারেন বিভিন্ন উপায়ে। রইল সহজ টিপস।
টক দই দিয়ে রায়তা বানিয়ে নিন। শসা, টমেটো, পেঁয়াজ কুচিয়ে নিন। বিটনুন, জিরে গুঁড়ো, গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে তৈরি করে রায়তা। ভাত বা রুটির সঙ্গে যখন-তখন রায়তা খেতে পারেন।
বেঁচে যাওয়ার টক দই দিয়ে লস্যি বানিয়ে নিন। স্বাদের জন্য অল্প নুন ও জিরে গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। টক দইয়ের মতো লস্যিও প্রোবায়োটিকে সমৃদ্ধ। এই পানীয়তেও ক্যালশিয়াম, প্রোটিন রয়েছে। পাশাপাশি শরীর হাইড্রেটেড থাকবে।
টক দই দিয়ে আপনি ব্রেকফাস্টে স্মুদি বানাতে পারেন। বেরি, কলা, অ্যাভোকাডো ইত্যাদি ফল, মধু আর বরফ দিয়ে স্মুদি বানিয়ে নিন। এছাড়া ওটস দিয়েও দইয়ের স্মুদি বানাতে পারেন। স্মুদি স্বাস্থ্যকর।
দুপুরের টক দই বেঁচে গেলে ম্যারিনেশনে ব্যবহার করুন। চিকেন, মাটন, পনির ইত্যাদি ম্যারিনেট করতে আপনি টক দই ব্যবহার করুন। এতে মাংস নরম হয়। পাশাপাশি খাবারের স্বাদ বেড়ে যায়।
টক দই আইসক্রিমও বানাতে পারেন। টক দইয়ের জল ঝরিয়ে নিন। এতে টক দইয়ে ক্রিমি টেক্সচার আসবে। এবার ওই দইয়ের সঙ্গে পছন্দের ফল ও মধু মিশিয়ে ফ্রিজারে রেখে দিন। তৈরি হয়ে যাবে ক্যালোরি মুক্ত আইসক্রিম।
বাড়িতে কেক বানাতে গিয়ে দেখলেন দুধ শেষ? চিন্তা নেই। দুধের বদলে টক দই দিয়ে কেকের ব্যাটার বানিয়ে নিন। এতে কেক অনেক বেশি নরম হবে। কেকের পাশাপাশি আপনি মাফিন, প্যানকেক তৈরিতেও দই ব্যবহার করতে পারেন।