নয়াদিল্লি: দেশের মাটিতে ওডিআই বিশ্বকাপ চলাকালীন (বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে) বাঁ পায়ের গোড়ালিতে চোট পেয়েছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া (Hardik Pandya)। টুর্নামেন্টের মাঝপথে ফিরবেন বলে শোনা গিয়েছিল। কিন্তু আর তেইশের বিশ্বকাপে খেলা হয়নি হার্দিকের। আগামী বছর রয়েছে টি-২০ বিশ্বকাপ। ২০২২ সালের টি-২০ বিশ্বকাপের (T20 World Cup) পর থেকে টি-টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে নেতৃত্বের দায়িত্ব বোর্ড হার্দিকের কাঁধেই দিয়েছিল। কিন্তু ওডিআই বিশ্বকাপের সময় তিনি যে চোট পেয়েছেন, তা থেকে এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি হার্দিক। বিসিসিআই (BCCI) আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথা ভেবে হার্দিক পান্ডিয়ার জন্য এ বার আনল এক বিশেষ প্রোগ্রাম। এক ক্রীড়া ওয়েবসাইটের সূত্রের খবর অনুযায়ী, এনসিএ ও বিসিসিআই মিলে হার্দিক পান্ডিয়ার জন্য ১৮ সপ্তাহের একটি বিশেষ পরিকল্পনা তৈরি করেছে। বিস্তারিত জেনে নিন TV9Bangla Sports এর এই প্রতিবেদনে।
এনসিএর এক সূত্র বলেন, ‘আমরা ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কথা বলি। টি-২০ ক্রিকেটার হিসেবে হার্দিকের দক্ষতা নিয়ে কোনও প্রশ্ন কি আছে? না। বরং আমাদের যেটা প্রয়োজন তা হল দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য স্থির করা।’ হার্দিককে নিয়ে কোনও তাড়াহুড়ো চায় না বোর্ড। যে কারণে তাঁকে দ্রুত মাঠে না ফিরিয়ে, ১৮ সপ্তাহের একটি হাই পারফরম্যান্স প্রোগ্রাম বেছে নেওয়া হয়েছে।
আগামী বছরের মার্চ অবধি হার্দিক পান্ডিয়াকে পর্যবেক্ষণ করবে বোর্ড ও জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির নির্দিষ্ট টিম। হার্দিক বেশ চোটপ্রবণ। কিন্তু তাঁর পুরনো চোটের সঙ্গে বিশ্বকাপে পাওয়া চোটের কোনও সম্পর্ক নেই। এনসিএ-র ওই সূত্র বলেন, ‘হার্দিকের পুরনে চোটের (পিঠের চোট) সঙ্গে বাংলাদেশ ম্যাচের পাওয়া চোটের কোনও যোগসূত্র নেই। বিশ্বকাপের সময় তিনি পুরোপুরি ফিট ছিলেন না, কিংবা তিনি চোটপ্রবণ ছিলেন, এইরকম বলার কোনও কারণ নেই। ওভাবে বিশ্বকাপে চোট পাওয়াটা ওর জন্য দুর্ভাগ্যজনক ছিল।’
তারকা অলরাউন্ডারের জন্য বিশেষ ভাবনাচিন্তা রয়েছে বোর্ডের। এ বার দেখার তাতে কতটা লাভ হয় হার্দিকের। এবং কত দ্রুত তিনি ফের ক্রিকেটে ফেরার জন্য ফিট হয়ে ওঠেন, সেটাই দেখার।