
কলকাতা: মরসুমের প্রথম দ্রুততম বলটা করার পর মন কি উথাল পাথাল হয়েছিল মায়াঙ্ক যাদবের (Mayank Yadav)? আইপিএলে (IPL) অভিষেক ম্যাচেই শোরগোল ফেলে দিয়েছেন দিল্লির ছেলে। ডেবিউ মানেই অনেকের ধারণা পাহাড়প্রমাণ চাপ। লখনউ সুপার জায়ান্টসের জার্সি গায়ে চাপিয়ে শনি-রাতে অভিষেক হয়েছে মায়াঙ্ক যাদবের। তাঁর ১৫৫.৮ কিমি/ঘণ্টা গতিবেগে করা বল নিয়ে চর্চা থামছেই না। বছর একুশের মায়াঙ্ক অভিষেক ম্যাচেই পেয়েছেন সেরার পুরস্কার। ওই পুরস্কার হাতে নিয়ে তাঁর সতীর্থ শেমার জোসেফের সঙ্গে ছবিও তুলেছেন মায়াঙ্ক। সেই ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ম্যাচের সেরার পুরস্কার পাওয়ার পর মায়াঙ্ক জানিয়েছেন, অভিষেকে চাপ কেমন হয়?
২০ লক্ষ টাকায় ২০২২ সালের আইপিএলের নিলামে মায়াঙ্ক যাদবকে কিনেছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। চোটের কারণে সে বারের আইপিএলে তাঁর খেলা হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে আইপিএলে অভিষেকের অপেক্ষায় ছিলেন মায়াঙ্ক। তিনি বলেন, ‘আমি ভাবতে পারিনি আমার অভিষেকটা ভালো হবে। আমি বরাবর বাকিদের কাছ থেকে শুনেছি যে অভিষেক ম্যাচে একটা চাপ কাজ করে। কিন্তু আমি প্রথম বলটা করার পরই সেই চাপটা যেন উধাও হয়ে গিয়েছিল। পরিকল্পনা করেছিলাম বেশি চাপ নিয়ে বল করব না। যতটা সম্ভব পেস দিয়ে বল করার চেষ্টা করেছি। অধিনায়ক বলেছিল যতটা সম্ভব পারো জোরে বল করে যাও। ওই উইকেটে সুবিধেও পেয়েছি।’
তরুণ তুর্কি মায়াঙ্ক যাদবের আইপিএল অভিষেকে প্রথম উইকেট পঞ্জাবের জনি বেয়ারস্টোর। তাঁর কথায়, ‘অভিষেক আইপিএলে প্রথম উইকেটটা আমার কাছে স্পেশাল।’ আর শনি-রাতে ১৫৫.৮ কিমি/ঘণ্টা গতিবেগে যে বল করেছিলেন মায়াঙ্ক যাদব, তাতে পঞ্জাব কিংসের অধিনায়ক শিখর ধাওয়ান ব্যাট তুলে মারার আগেই বল বেরিয়ে গিয়েছিল। শেষ অবধি ৪ ওভার বল করে ২৭ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নিয়েছেন মায়াঙ্ক।