
নাইন্টিজ কিড। তাঁদের কাছে কাছে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় ছিল ২০০৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে রিকি পন্টিংয়ের ব্যাট। ১৯৮৩ সালে প্রথম বার ওয়ান ডে ফরম্যাটে বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। এরপর ২০১১। মাঝে একটা দারুণ সুযোগ এসেছিল ভারতের সামনে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে। ২০০৩ সালে বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠেছিল ভারত। বিশ্বের যে কোনও দলের কাছেই ভারতের ব্যাটিং লাইন আপ ছিল অন্যতম ঈর্ষার কারণ। বোলিংয়েও তাক লাগিয়েছিল ভারত। কিন্তু…. রিকি পন্টিংয়ের ইনিংস! বিস্তারিত জেনে নিন TV9Bangla Sports-এর এই প্রতিবেদনে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ২০০৩ সালের ওয়ান ডে বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠে ভারত। সামনে রিকি পন্টিংয়ের নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়া। টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তখনই অনেকে প্রমাদ গুনছিলেন। জাহির খানের প্রথম ওভারেই যেন দেওয়াল লিখন পড়তে পারছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট প্রেমীরা। প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ২ উইকেটে ৩৫৯ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া। সে সময় ৩০০ প্লাস রান তোলা মানেই ম্যাচ জিতে যাওয়া। অজি ক্যাপ্টেন রিকি পন্টিং অপরাজিত ১৪০ রান করেন।
রিকি পন্টিংয়ের সেই ইনিংসে ভারতীয় ক্রিকেট প্রেমীদের হৃদয় ভাঙে। তেমনই সে সময় স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে একটা জল্পনা ছিল, স্প্রিং লাগানো ব্যাটে খেলেছিলেন রিকি পন্টিং। যার ফলে এত চার-ছয় মারতে পেরেছেন! এখন বিষয়টা মজার মনে হলেও, সে সময় এই তথ্য বিশ্বাস করেছিল অধিকাংশই। না হলে ফাইনালের মতো হাইভোল্টেজ ম্যাচে এমন ইনিংস খেলা সম্ভব নাকি! সত্যিই কি পন্টিংয়ের ব্যাটে স্প্রিং ছিল? সেই রহস্য ফাঁস হল!
২০০৩ বিশ্বকাপ ফাইনালের দুই প্রতিপক্ষ ক্যাপ্টেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এবং রিকি পন্টিং এখন দিল্লি ক্যাপিটালসের কোচিং টিমে একসঙ্গে। স্প্রিং ব্যাটের মিথ ছিল দীর্ঘ সময়। বিশ্বকাপ ফাইনালে যে ব্যাট দিয়ে খেলেছিলেন পন্টিং, তা প্রকাশ্যে আনার অনুরোধও করেন অনেকেই। ২০২০ সালে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ব্যাটের ছবিও পোস্ট করেছিলেন প্রাক্তন অজি অধিনায়ক।
সত্যিই কি ব্য়াটে স্প্রিং ছিল? তা নিয়েই দিল্লি ক্যাপিটালসের স্টিং অপারেশন। হিডেন ক্যামেরায় পন্টিংকে সেই ব্যাট প্রসঙ্গ তোলা হয়। পন্টিং তাঁর বাইসেপ দেখিয়ে বুঝিয়ে দেন, কোনও স্প্রিং ব্যাট নয়, পাওয়ার হিটিংয়েই সেই বড় ছয় মেরেছিলেন।