অল্পের জন্য ডুরান্ড কাপ হাতছাড়া হয়েছে। পুরো টুর্নামেন্টে ভালো খেললেও ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানের কাছে হার। মরসুমের শুরুতেই ট্রফি এলে আরও আত্মবিশ্বাসী হতে পারত লাল-হলুদ শিবির। কার্লেস কুয়াদ্রাতের ছাত্রদের কাছে দ্বিতীয় সুযোগ এসেছে। এর জন্য় এখনও দুটি ধাপ পেরোতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে। কলিঙ্গ সুপার কাপের সেমিফাইনালে আজ জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে নামছে ইস্টবেঙ্গল। দুটো ম্যাচ জিততে পারলেই চ্যাম্পিয়ন। ডার্বির পর সেমিফাইনাল, আত্মতুষ্টির ভয়ও রয়েছে লাল-হলুদ শিবিরে! বিস্তারিত জেনে নিন TV9Bangla Sports-এর এই প্রতিবেদনে।
ময়দানে বরাবরই নজর থাকে ডার্বির পরের ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল কিংবা মোহনবাগান কেমন পারফর্ম করছে। এ মরসুমে এখনও অবধি তিনটে ডার্বি হয়েছে। ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল। ডুরান্ডের গ্রুপ পর্বে জিতেছিল তারা। টানা আটটি ডার্বি হারের পর একটি জয়। আনন্দ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ফাইনালে সেই মোহনবাগানের কাছে হেরেই রানার্স। এ বার সুপার কাপে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ মোহনবাগানকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গল। আত্মতুষ্টির চিন্তাও থাকছে। আর সেটা হলে রাস্তা কঠিন।
সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গলের অনেক প্রতিপক্ষ। জামশেদপুর এফসির বর্তমান কোচ খালিদ জামিল। ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন কোচ তিনি। লাল-হলুদের বর্তমান দলের সঙ্গে পুরনো দলের সেই মিল না থাকলেও খালিদ জামিলের মস্তিষ্কও তুখোড়। খুব ভালো ভাবে হোমওয়ার্ক করেই নামবে জামশেদপুর এফসি। ইস্টবেঙ্গলে যেমন গ্রুপ পর্বে জয়ের হ্যাটট্রিক করেছে, তেমনই জামশেদপুরও।
সেমিফাইনালে নামার আগে ইস্টবেঙ্গল কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত মনে করছেন, সবচেয়ে কঠিন ধাপ তাঁরা পেরিয়ে এসেছেন। কুয়াদ্রাতের কথায়, ‘দেশের অন্যতম সেরা দল মোহনবাগান। ওরাই সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল। ডার্বি জিতে ছেলেরা দারুণ মেজাজে রয়েছে। সেমিফাইনালের পরিকল্পনাও তৈরি।’ ডুরান্ডের পর আরও একটা টুর্নামেন্টের ফাইনালে ওঠাই প্রথম লক্ষ্য। এরপর ট্রফি। তবে জামশেদপুরকে একেবারেই হালকা নিতে নারাজ লাল-হলুদ শিবির।
ইস্টবেঙ্গল বনাম জামশেদপুর এফসি, সন্ধে ৭.৩০, জিও সিনেমায় স্ট্রিমিং