কী হল রোবট রামের?

ভোটের আগে রাজনীতির মঞ্চে শ্রীরাম। নাটকের মঞ্চেও শ্রীরাম। জিগির নাট্যদলের গ্রুপ থিয়েটার 'নমো যন্ত্র নমো ধর্ম'। নাটকের বিষয় ভাবনায় রয়েছে বিতর্ক। এক বহুরূপী রোবট রাম তৈরি করান।


যন্ত্র মানব বহুরূপী। তার শরীরে অ্যাসেম্বল করা স্পিকার আর পেন ড্রাইভ। শিবের মেলায় শিবের মন্ত্র বেরোয়। রামের মেলায় রামকথা বেরোয় তার মুখ থেকে। সঙ্গে সং সাজার রাজনীতি। দাঙ্গা। পুরনো নাটকে নতুন সংযোজন বর্ণ-পরিচয়, মাতঙ্গিনী হাজরা ইত্যাদি সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া ঘটনা। এক দিকে অভিনেতারা দলে-দলে দলে যোগ দিচ্ছেন। আরেক দল নাট্যশিল্পী মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন আসল বার্তা। ভোটের আগে রাজনীতির মঞ্চে শ্রীরাম। নাটকের মঞ্চেও শ্রীরাম। জিগির নাট্যদলের গ্রুপ থিয়েটার ‘নমো যন্ত্র নমো ধর্ম’। নাটকের বিষয় ভাবনায় রয়েছে বিতর্ক। এক বহুরূপী রোবট রাম তৈরি করান। তারপর তা বিক্রি করে দেন অন্য ধর্মের মানুষের হাতে। তারপরে কী হয়।
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের ওপর ভিত্তি করে রচিত নাটক। তবে এই নাটকের রচনাকাল এক বছর আগে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের সময় কোথাও গিয়ে যেন নির্বাচনী প্রচারে জয় শ্রীরাম ধ্বনি এবং হিন্দুত্ববাদী নেতাদের কথাবার্তায় প্রকাশ পাওয়া অভিমতের জন্য বিষয়টি আবারও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। সে কারণেই জিগির নাট্য দলের পক্ষ থেকে ঠিক করা হয় নাটকটি পুনরায় অভিনয় করা হবে: কোনও একটি দলকে আক্রমণ না-করে সমস্ত রাজনৈতিক দলের অন্ধকার দিকটি তুলে ধরার জন্য। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাসমূহ উঠে এসেছে। নাটকটি দেখতে আসেন প্রবীণ নাট্যকর্মী নাট্যকার ও পরিচালক মেঘনাদ ভট্টাচার্য্য। নাটকের শেষে মেঘনাথবাবু বলেন, “নমো যন্ত্র নমো যন্ত্র নাটকটি যুগোপযোগী। শিল্পের মাধ্যমে শিল্পী অনেক অন্যায়ের কথা বলেন। এই নাটকটি সেরকমই নাটক। খুব ভাল।”