Bankura: মেয়েকে পিছনে বসিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন, স্কিড করে যায় স্কুটির চাকা, লরির চাকায় পিষে যায় শরীর
Bankura: মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কোতুলপুর থেকে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ডাক্তার দেখিয়ে স্কুটিতে বালিঠ্যা গ্রামে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন সোমা দে। বালিঠ্যা ও জলিঠ্যা মোড়ের মাঝামাঝি সোমা দে স্কুটি নিয়ে একটি চলন্ত আলু বোঝাই ট্রাক্টরকে ওভারটেক করার চেষ্টা করেন।

বাঁকুড়া: স্কুটিতে ওভারটেক করতে গিয়ে ট্রাক্টরের নীচে মা। আর রাস্তার ধারে ছিটকে পড়ল মেয়ে। কোনওভাবে মেয়েকে বাঁচানো গেলেও, মাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি চিকিৎসকদের পক্ষে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার কোতুলপুর থানার বালিঠ্যা ও জলিঠ্যা মোড়ের মাঝে। পুলিশ জানিয়েছে মৃতার নাম সোমা দে। ঘটনায় মৃতার শিশু কন্যাও অল্পবিস্তর আহত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কোতুলপুর থেকে মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ডাক্তার দেখিয়ে স্কুটিতে বালিঠ্যা গ্রামে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন সোমা দে। বালিঠ্যা ও জলিঠ্যা মোড়ের মাঝামাঝি সোমা দে স্কুটি নিয়ে একটি চলন্ত আলু বোঝাই ট্রাক্টরকে ওভারটেক করার চেষ্টা করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি ওভারটেক করার সময় আচমকাই স্কুটির চাকা স্কিড করে যায়। স্কুটি-সহ সোমা দে একেবারে ট্রাক্টরের চাকার নীচে চলে যায়।
ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে যায় সোমার শরীর। স্কুটি থেকে ছিটকে পড়ে মহিলার বাচ্চা মেয়েটিও। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার খবর পেয়ে মা ও মেয়ে দু’জনকেই উদ্ধার করে প্রথমে কোতুলপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে মেয়েকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু সোমাকে বাঁচাতে পারেননি চিকিৎসকরা।
ঘটনার পর পরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতক ট্রাক্টরটিকে বাজেয়াপ্ত করেছে। মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
